আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সপ্তাহব্যাপী সাঁড়াশি অভিযানে পুলিশ সফলতা দেখলেও এই অভিযান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিএনপি। পুলিশের এ অভিযানকে রাজনৈতিক বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন- সাম্প্রতিককালে যে গুপ্ত হত্যা হচ্ছে, এর পেছনে ষড়যন্ত্র আছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন এসে যায়, এখন পর্যন্ত একজনকেও গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনতে পারেনি কেন?
শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর জামিয়া মাদানিয়া বারিধারায় আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে।
মির্জা ফখরুল বলেন, সমগ্র বাংলাদেশে আজকে একটা ফ্যাসিস্টরাজ, দমননীতি চলছে, বিরোধী দলের নেতাকর্মীকে খুন-গুম-অপহরণ করে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে।
বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, এবার কৃষকরা তাদের পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায়নি। সাধারণ মানুষ তাদের জীবিকা জোগাড় করতে পারছে না। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, এবার তাদের ব্যবসা ভাল যাবে না। কারণ, যে করের বোঝা তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারা সেটা বহন করতে সক্ষম হবেন না।
জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মোস্তফা আযাদের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিশের নায়েবে আমীর মুজিবুর রহমান পেশয়ারী, এনডিপির চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুর রকিব, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এম এম আমিনুর রহমান, ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মণি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি এ এইচ এম কামরুজ্জামান খান, মহাসচিব শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) প্রেসিডিয়াম সদস্য আহসান হাবিব লিংকন প্রমুখ, ইসলামিক পার্টির মহাসচিব আবুল কাশেম।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আয়োজক সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব নূর হোসেন কাশেমী, সহ-সভাপতি আব্দুর রব ইউসুফি, যুগ্ম-মহাসচিব বাহাউদ্দিন জাকারিয়া, নাজমুল হাসান প্রমুখ।


