নাটোরের সিংড়ায় দুই বছরের শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। বরিশালের বাবুগঞ্জে কলেজছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে ধর্ষক। ফরিদপুরের সালথায় এক মানসিক রোগীকে গণধর্ষণের ঘটনায় দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-
নাটোর : সিংড়ায় ওই শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে মতিউর নামে এক ভ্যানচালকের হাতে। সে কৈডালা গ্রামের ঘোরা মিয়ার ছেলে। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটি এখন নাটোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শিশুটি ওই গ্রামের এক দিনমজুরের মেয়ে। শিশুর পরিবার জানায়, মতিউর তিন শিশুকে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে বেড়ানোর কথা বলে তার ভ্যানে উঠিয়ে পাশের জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে দুই শিশুকে বসিয়ে রেখে অপর শিশুকে জঙ্গলের মধ্যে রাখা খড়ের গাদায় নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে শিশুরা চিৎকার শুরু করলে মতিউর পালিয়ে যায়।
বাবুগঞ্জ : উপজেলার রবিন্দ্রনগর গ্রামের মৃত্যু আয়ুব আলীর ছেলে আলামিনের কুনজর পড়ে ওই কলেজছাত্রীর ওপর। ঘটনার দিন ছাত্রীর মা বাড়ি না থাকার সুবাধে আলামিন তাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণ করে। সম্প্রতি কলেজছাত্রীর গর্ভে সন্তান আসলে বিষয়টি তার মাকে জানায়। এ ঘটনাটি বিধবা মা ইউপি মেন্বর ফখরুল ইসলাম রোকনকে জানান। পরে লম্পট আলামিনের মা ফাতেমার কাছে তার ছেলের সঙ্গে ওই ছাত্রীর বিয়ের প্রস্তাব দিলে তিনি প্রস্তাব ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেন। উল্টো ৫ লাখ টাকার চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে কলেজছাত্রীর নানাসহ আদালতে ৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। শনিবার পুলিশ ধর্ষক আলামিনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠায়।
ফরিদপুর : সালথা উপজেলার সোনাপুর বাজারে এক মানসিক রোগীকে ধর্ষণের ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ১৯ জুন রাত ১০টার দিকে ওই বাজারের খায়ের মেম্বারের বিল্ডিংয়ের ভেতর এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে বাজার কমিটি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সচেতন মহলের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।


