বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

নাহার গার্ডেনের এমডিসহ ৭ দুর্নীতিবাজ গ্রেপ্তার

atoke_1বেসিক ব্যাংক ঋণ কেলেঙ্কারি মামলাসহ বিভিন্ন প্রকার দুর্নীতি মামলার আসামি মেসার্স নাহার গার্ডেন (প্রাইভেট) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. শফিউল ইসলামসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করেন দুদক কর্মকর্তারা। এর মধ্যে বেসিক ব্যাংক ঋণ কেলেঙ্কারি মামলার অন্যতম আসামি মো. শফিউল ইসলামকে রাজধানীর পরিবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য বাংলামেইলকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তারকৃত অন্য আসামিরা হলেন- জামালপুরের সাবেক উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সৈয়দ মুনিরুল ইসলাম, কুষ্টিয়ার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) হিসাবরক্ষক শেখ সাফায়েত হোসেন, ঠাকুরগাঁওয়ের সেটেলমেন্ট অফিসার মো. আমিনুল ইসলাম, বগুড়া কালেক্টরেট অফিসের কানুনগো কাজী আবু হেনা মোস্তফা কামাল, পূবালী ব্যাংক লিমিটেডের বগুড়া সাতমাথা শাখার অফিসার (ক্যাশ) মো. শামিম সরকার এবং হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার জনৈক মো. সাজন মিয়া।

দুদকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির ঘটনায় গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর পল্টন (ডিএমপি) থানায় করা ৫৬ নম্বর মামলার আসামি মো. শফিউল ইসলাম। তার বিরুদ্ধে করা এ মামলার এজহারে বলা আছে, বেসিক ব্যাংকের শান্তিনগর শাখা থেকে মেসার্স নাহার গার্ডেন (প্রাইভেট) লিমিটেডের অনুকূলে ৩০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন মো. শফিউল ইসলাম। ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজসে বন্ধকি সম্পত্তি প্রতারণা ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে অতি মূল্যায়ন দেখিয়ে এ টাকা আত্মসাৎ করেন তিনি। যা পরবর্তীতে সুদাসলে ৩৮ কোটি ৭২ লাখ ৭৪ হাজার ৯৮৪ টাকা হয়। দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন ও উপপরিচালক মোহাম্মদ মোরশেদ আলমের নেতৃত্বে একটি দল রাজধানীর শাহবাগের পরিবাগ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

এছাড়া ভূয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে ১৭ লাখ ৭২ হাজার ৭০২ টাকা আত্মসাতের মামলার আসামি কুষ্টিয়ার এলজিইডির হিসাবরক্ষক শেখ সাফায়েত হোসেন। তাকে কুষ্টিয়ার কোর্টপাড়া থেকে উপপরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে সহকারী পরিচালক রাম প্রসাদ মণ্ডল গ্রেপ্তার করেন। অন্যদিকে জামালপুরের সাবেক উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সৈয়দ মুনিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কাজ না করে প্রকল্পের ৩৯ দশমিক ৭৫৩ মেট্রিক টন গম বা ১২ লাখ ৮৮ হাজার ৭২৪ টাকা আত্মসাৎ মামলার আসামি হিসেবে। এই মামলা ছাড়াও আরো পাঁচটি দুর্নীতির মামলার আসামি সে। এরকম বাকিরাও বিভিন্ন প্রকার দুর্নীতির অভিযোগে করা মামলা আসামি।

আরও পড়ুন