ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তবে পুলিশ তার নাম-পরিচয় নিশ্চিত না করলেও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে নিহত যুবকের নাম সাইফুল ইসলাম মামুন । সে শিবিরের স্থানীয় গুরুত্বপূর্ণ নেতা।
সোমবার দিনগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার মধুপুরের চারমাইল নামক স্থানে এ ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হয়।
পুলিশের দাবি, ঘটনাস্থল থেকে একটি শাটারগান, পাঁচটি হাতবোমা, গুলি, হাসুয়া ও রামদা উদ্ধার করা হয়েছে।
ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) আজবাহার আলী শেখের ভাষ্য, ঝিনাইদহ-মাগুরা মহাসড়কের চারমাইল নামকস্থানে পুলিশ টহল দিচ্ছিল। এসময় টহল পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা বোমা ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এতে এক যুবক নিহত হন। তবে নিহত যুবকের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করেননি তিনি।
জেলা পুলিশের এই কর্মকর্তার দাবি, এসময় দুই পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন। তবে তারা কোথায় চিকিৎসা নিয়েছে তা জানানো হয়নি।
নিহত যুবকের মরদেহ ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় একটি সূত্র থেকে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। সূত্রটি জানায়, নিহত যুবক শৈলকুপা উপজেলার মুচড়াপাড়া-পুটিমারী গ্রামের লুৎফর হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম মামুন।
গত ১ জুলাই সেবায়েত শ্যামানন্দ দাস বাবাজি নিহত হন । এ খুনের পরে ঝিনাইদহ জেলা শহরের পবহাটী গ্রামের টুলু মিয়ার বাড়ি থেকে সাদা পোশাকের লোকজন মামুনকে তুলে নিয়ে যায়। সে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের মাস্টার্স শেষ বর্ষের ছাত্র। মামুন ইসলামী ছাত্র শিবিরের স্থানীয় গুরুত্বপুর্ণ নেতা বলেও জানায় সূত্রটি । তবে তার দলীয় পদবী জানা যায়নি


