বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

আসাম থেকে আসা হাতিটি এখন সিরাজগঞ্জের যমুনায়

Elephant-Sirajganjভারতের আসাম রাজ্য থেকে ব্রহ্মপুত্র নদ হয়ে বাংলাদেশে আসা বুনোহাতিটি এখন সিরাজগঞ্জের চিন্নার চরে অবস্থান করছে। ২১ দিন ধরে হাতিটি ব্রহ্মপুত্র-যমুনার চরাঞ্চলে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এতে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। তবে হাতিটি উদ্ধারে বন বিভাগের কোনো তৎপরতা নেই।

বুধবার সকাল থেকে পুলিশ প্রশাসন স্থানীয় জনগণের মাঝে সচেতনতা তৈরির উদ্দেশে মাইকিং করছে। হাতিটিকে যেন কেউ বিরক্ত না করে সে বিষয়ে জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে।

গত ২৭ জুন সকালে প্রথম হাতিটিকে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বাগুয়ার চরে দেখা যায়। এরপর কুড়িগ্রামের রৌমারী, রাজীবপুর; জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ; গাইবান্ধার ফুলছড়ি; সাঘাটা, বগুড়ার সারিয়াকান্দির কাশিয়াবাড়ি চর হয়ে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সিরাজগঞ্জের চিন্নার চরে অবস্থান করছে।

হাতিটি উদ্ধারে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে কথা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বনবিভাগের একটি সূত্র।

আসামের প্রধান মুখ্য বনপাল (বন্যপ্রাণ বিভাগ) বিকাশ ব্রহ্ম বিবিসি বাংলাকে বলেন, আমরা সরকারের চূড়ান্ত অনুমতি আর ভিসার জন্য অপেক্ষা করছি। সেসব হয়ে গেলেই তিনজন হস্তীবিশেষজ্ঞকে আমরা বাংলাদেশে পাঠাব। তারাই সরেজমিনে পরিস্থিতি দেখে সেখানকার কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করবেন কিভাবে হাতিটিকে ফেরত আনা যেতে পারে। হাতিটিকে ঘুমপাড়ানি গুলি দিয়ে বেহুঁশ করা সম্ভব কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হবে।

তবে বাংলাদেশের বনবিভাগ থেকে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে আসামের বন কর্মকর্তাদের মনে হয়েছে সেটা করার উপযুক্ত সময় হয়তো এখনও আসেনি।

তিনি বলেন, পানি না কমা পর্যন্ত হয়তো অপেক্ষা করতে হবে। সেটা দু`মাস বা তিনমাসও হতে পারে। বিশেষজ্ঞ দল সেদেশে গিয়ে কী রিপোর্ট দেন, সেটা আগে দেখি।

আরও পড়ুন