ইচ্ছা হলো আর একটি মাদ্রাসা চালু করে দিলাম, এখন থেকে এমন আর করা যাবে না।
স্কুলের মত এবার মাদ্রাসা করতেও সরকারের অনুমোদন লাগবে বলে জানিয়েছেন, খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, স্কুল করতে যেমন সরকারের অনুমোদন লাগে, মাদ্রাসা করতেও তেমন অনুমোদন লাগবে। এটা বাস্তবায়ন করতে যা যা প্রয়োজন তা সরকার করবে।
শুক্রবার ২২ জুলাই সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স সেন্টারে বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামী পার্টি আয়োজিত ‘সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ কোরআন এবং হাদীসের আলোকে কী?’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
কামরুল ইসলাম বলেন, আমরা আলেমদের নিয়ন্ত্রণ করতে চাই না। তবে যারা উস্কানি দিচ্ছে তাদের ছাড় দেয়া হবে না। আমরা সরকার নির্ধারিত খুতবা পড়তে কাউকে বাধ্য করছি না, অনুরোধ করছি। তবে যারা খুতবার নামে উস্কানি দিচ্ছে তারা আমাদের নজরদারিতে আছে। তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি বলেন, এতদিন আমাদের দৃষ্টি ছিল মাদ্রাসার দিকে। বিশেষ করে কাওমি মাদ্রাসা। এখন আমাদের ভুল ভেঙেছে। এখন দেখছি উল্টো ঘটনা। বড় বড় স্কুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে।
বিএনপিকে জঙ্গিদের মদদদাতা উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, জঙ্গিরা ইসলামের শত্রু। এরা মোসাদের সৃষ্টি। যখন বিএনপি নেতা মোসাদের সাথে বৈঠক করেছে এর পর থেকে জঙ্গিবাদ মাথাছাড়া দিয়ে উঠেছে। পরিকল্পনাকারীসহ এদের কাইকেই ছাড় দেয়া হবে না।
বিএনপিকে উদ্যেশ্য করে কামরুল বলেন, জামায়াতের সঙ্গ ছাড়ুন। আর গুলশানের কার্যালয় সরানোর বিষয়ে কোন কথা বলবেন না। সব সময় সরকারের বিরোধীতা করার মনসিকতা পরিহার করুন। নিজেদের উপকার হবে।
আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান মাওলানা ইসমাইল হোসাইনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
অন্যান্যের মাঝে আরও উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের উপ কমিটির সহ সম্পাদক এম এ করিম, পার্টির মহাসচিব তাজুল ইসলাম ফারুকী, মাও. নুরুল ইসলাম, আরিফুর রহমান সিদ্দিকী, আলহাজ্ব আব্দুল হাই শিকদার প্রমুখ।


