বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

পুলিশের দম্ভ দেখানো সেই ট্রাফিক সার্জেন্ট বরখাস্ত

Police Nirjatonঢাকার ধানমণ্ডি এলাকায় এক গাড়িচালককে মারধরের ভিডিও ফেইসবুকে ভাইরাল হয়ে পড়ার পর সমালোচনার মধ্যে থাকা শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট মেহেদী ইউসুফ সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সোমবার জানিয়েছে, ‘অসদাচরণ, অপেশাদারমূলক ও শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের জন্য’ তাকে রোবার চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

ধানমণ্ডি ৭/এ সড়কে শনিবার বিকালে এক গাড়িচালককে মেহেদী ইউসুফের মারধরের ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কেএফসির সামনে রাখা একটি গাড়ির চালক ইউসুফ ফরাজীর কাছে সার্জেন্ট মেহেদী কাগজ চাইলে তা নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ফরাজীকে বেধড়ক মারধর করেন সার্জেন্ট মেহেদী।

ডিএমপির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “তার (মেহেদী) এ ধরনের ব্যক্তিগত অসদাচরণ ও অপেশাদারমূলক কার্যকলাপের দায়ভার বাংলাদেশ পুলিশ নেবে না।”

এ ঘটনা তদন্তে ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মেহেদীর বিরুদ্ধে ‘যথাযথ বিভাগীয় ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে বলেও ডিএমপি জানায়।

২০১৫ সালে পুলিশে নিয়োগ পান মেহেদী ইউসুফ, তার শিক্ষানবিশ পর্যায় এখনও শেষ হয়নি।

ঘটনার পর রোববার তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন ঢাকা মহানগর ট্রাফিক পুলিশের উপ-কমিশনার খান মোহাম্মদ রেজোয়ান।

মাটিতে ফেলে মাথায় বুট দিয়ে চেপে ধরার বিষয়ে জানতে চাইলে সার্জেন্ট মেহেদী রবিবার সাংবাদিবদের বলেছিলেন, আমি তাকে অ্যারেস্ট করতে চাইছিলাম। এটি আমাদের অ্যারেস্ট করার কৌশল। তবে আমি মাথায় বুট দিয়ে চেপে ধরিনি। চেপে ধরেছি ঘাড়ে, যাতে সে পালাতে না পারে। মেহেদী বলেন, এ সময় কয়েকজন লোক এগিয়ে আসেন। যাদের পরনে কোর্ট-টাই পরা ছিলো। মুখে দাড়ি ছিলো। তাদের জামায়াত-শিবিরের লোক বলে মনে হয়েছে। আমার ওপর তারা হামলার চেষ্টা করেন। পরে আমি চালককে নিয়ে থানায় যাই। গাড়িটিও রেকারিং করে থানায় নিয়ে যাই।

আরও পড়ুন