বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

আলোচনায় জঙ্গি আস্তানার জাহাজ বাড়ি

Kallyanpur-Houseপুলিশের অভিযানে নয় জঙ্গি নিহতের পর এলাকার অনেক মানুষই পুলিশের নিরাপত্তা বেষ্টনীর বাইরে এসে ভিড় জমিয়েছে। তারা ‘জাহাজ বাড়ি’ নিয়ে আলোচনা করছে।

বাড়িটি থেকে কয়েকটি ভবন দূরে একটি ভবনের নিরাপত্তা প্রহরী আবুল কাশেম। তিনি বলছেন, বাড়িটি সবার কাছে পরিচিত। বহু ছাত্র এখানে মেস বানিয়ে থাকত।

এলাকাটি জুড়ে অসংখ্য বহুতল ভবন থাকায় দূর থেকেও সেটি চোখে পড়ছিল না। কয়েকটি ভবনের ছাদে উঠে চেষ্টা করেও ভবনটিকে দেখা গেল না।

পুলিশের বাধা যেখানে শুরু হয়েছে, সেখানেই বহু বছর ধরে মুদি দোকান চালান উত্তম কুমার বণিক।

তিনি বলছেন, সতের বছর আগে সস্ত্রীক ‘জাহাজ বাড়ি’র ৫ম তলার একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন তিনি। ভবনটি কয়েক দশকের পুরণো। প্রথম দিকে সেখানে কোন ব্যাচেলর বা অবিবাহিত কাউকে ভাড়া দেয়া হতো না।

কিন্তু সম্প্রতি তিনি দেখেছেন বাড়িটিতে অনেক ব্যাচেলর কর্মজীবী ও ছাত্রকে ভাড়া দেয়া হচ্ছে।

বণিক বাড়িটির যে বর্ণনা দিচ্ছেন তাতে ছয়তলা বাড়িটির দ্বিতীয় তলা থেকে প্রতিটি ফ্লোরে দুই কামরার এবং তিন কামরার করে তিনটি করে ফ্ল্যাট ছিল। আর নিচের ফ্লোরে ছিল ছোট ছোট অনেকগুলো কামরা।

আতিউর রহমান নামে একজন বয়োবৃদ্ধ ব্যক্তি ভবনটির মালিক – জানালেন বনিক।

কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী বলছেন, বাড়িটির চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ তলাতে ব্যাচেলরদের ভাড়া দেয়া হত। তারা সেখানে মেস করে থাকত। নিচের তলাগুলো ভাড়া দেয়া হত পরিবার নিয়ে যারা থাকেন তাদের।

কল্যাণপুরের ৫ নম্বর সড়কের ‘তাজ মঞ্জিল’ নামে ৫৩ নম্বর বাড়িটির পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাট গত ২০শে জুন ভাড়া নেয় অভিযুক্ত জঙ্গিরা। তারা পুলিশের সরবরাহকৃত ‘ভাড়াটিয়া ফর্ম’ পূরণ করে জমা দেয় নি।

দু’একটি সূত্রে জানা যাচ্ছে ভোরে অপারেশন ‘স্টর্ম টোয়েন্টি সিক্স’ শুরু করবার আগেই ভবনটির নিচের তলাগুলো থেকে ভাড়াটিয়াদের সরিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ।

আরও পড়ুন