বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

ছয় মাসের মধ্যে জেলা পরিষদ নির্বাচন: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

mosharrof20160727171306আগামী ছয় মাসের মধ্যে জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য আইন সংশোধন, সংযোজন, পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জন করা হবে- এমনটাই জেলা প্রশাসকদের জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বলেন, চলতি অধিবেশনেই এ আইন সংশোধন করা না হলেও আগামী অধিবেশনে তা করা হবে।

বুধবার বিকেলে সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘ডিসি সম্মেলন ২০১৬’-এর দ্বিতীয় দিনে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এ কথা জানান। মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী।

ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, আইনের পরিবর্তন না করলে অর্ডিন্যান্স জারি করে জেলা পরিষদ নির্বাচন করতে হবে। কিন্তু সরকার এ মুহূর্তে কোনও অর্ডিন্যান্স জারি করতে চায় না।

তিনি আরও বলেন, এই মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দেশের ১৬ কোটি মানুষ জড়িত। এই মন্ত্রণালয় সিটি করপোরেশন, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা দেখে। এটার ব্যাপ্তি অনেক। এক ঘণ্টার মধ্যে সবকিছু বলা যায় না।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতিতে জীবন এসেছে, গতি এসেছে। আগে গ্রামের মানুষ রাস্তা, কালভার্ট চাইতো। এখন তারা এগুলো চায় না। এখন তারা খাম্বা চায়। খাম্বা বোঝেন? বিদ্যুতের খাম্বা। তারা মনে করে খাম্বা দিলেই তার ঝুলবে। তার ঝুললেই বিদ্যুৎ আসবে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মধ্য আয়ের দেশে যাওয়ার জন্য এগুলো তার পূর্ব ইঙ্গিত।

মোশাররফ হোসেন বলেন, আগে ইউনিয়ন পরিষদে একজন চেয়ারম্যান, একজন সচিব, কয়েকজন সদস্য ও কয়েকজন চৌকিদার থাকতো। এখন গ্রামের লোকজন উপ-সহকারী প্রকৌশলী চায়। গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি আসার ফলে তারা এখন এ দাবি করে। কিন্তু সরকার এখনও এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি।

তিনি আরও বলেন, সরকারের উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত হতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছি। প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ ভিজিটে যেতে হবে। মনিটরিং করতে হবে। এলাকায় যেন কোনও প্রকাশ জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

সাবেক বিরোধী দল দেশে গুম হলে সরকারের ঘারে দোষ চাপাতো। কিন্তু সরকার যে গুম করে না ইতোমধ্যে তা প্রমাণিত। কারণ তারা নিজেরাই নিজেদের গুম করে সরকারের ঘারে দোষ চাপাতো।

ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে জঙ্গিবাদ বিরোধী কমিটি হওয়ার কথা। কিন্তু অনেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিএনপি-জামায়াতের নেতারা। সেক্ষেত্রে তারা কোনও ধরনের অসহযোগিতা করেছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সভায় কেউ এ ধরনের অভিযোগ করেননি। আর এ বিষয়ে কোনও আলোচনাও হয়নি।

আরও পড়ুন