বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

মহাশ্বেতা দেবীর জীবনাবসান

11-mahasweta-ddeviভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্যিক লেখক ও মানবাধিকার কর্মী মহাশ্বেতা দেবী মারা গেছেন। কলকাতার বেল ভিউ ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার বিকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর।

গত দুই মাস ধরে বেল ভিউ ক্লিনিকে তার চিকিৎসা চলছিলো।সেই হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, তাকে বার্ধক্যজনিত জটিলতায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে রক্তে ইনফেকশন ও কিডনি অকেজো হয়ে পড়ার কারণে তার মৃত্যু হয়।

মহাশ্বেতা তার প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়া শেষ করেন শান্তিনিকেতনে, বিশ্বভারতীতে। তিনি সাহিত্য আকাদেমি, পদ্ম বিভূষণ ও ম্যাগসেসেসহ আরও বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হন। ঝাঁসির রাণী লক্ষ্মীবাইকে নিয়ে লিখে তিনি প্রথম সাহিত্য জগতের নজর কাড়েন।  এ ছাড়াও মানবাধিকার ও নারী অধিকার প্রশ্নে সর্বদা সরব ছিলেন সদ্যপ্রয়াত এই লেখক।

মহাশ্বেতা ১৯২৬ সালে কলকাতার এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মনীশ ঘটক ছিলেন কল্লোল যুগের প্রখ্যাত সাহিত্যিক।তার কাকা ঋত্বিক ঘটক ছিলেন শক্তিশালী চলচ্চিত্র পরিচালক। মহাশ্বেতা বিয়ে করেছিলেন প্রখ্যাত নাট্যকার বিজন ভট্টাচার্যকে। মহাশ্বেতার পুত্র নবারুণ ভট্টাচার্যও অত্যন্ত শক্তিশালী লেখক ছিলেন। নবারুণ ২০১৪ সালে অন্ত্রে ক্যান্সারে মৃত্যুবরণ করেন।

মহাশ্বেতার গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে, হাজার চুরাশির মা, তিন কড়ির সাধ, অরন্যের অধিকার, হারানের নাতজামাই, চোট্টিমুন্ডা ও তার তীর, অগ্নিগর্ভ ইত্যাদি।

আরও পড়ুন