বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

কল্যাণপুরে অভিযানের পর নিখোঁজ সাব্বিরের বাবার জিডি

jangi-sabbirরাজধানীর কল্যাণপুরে অভিযানে নয় জঙ্গি নিহত হওয়ার ঘটনায় আলোচিত সাব্বিরুল হক চৌধুরী কণিকের সন্ধান চেয়ে এতদিনে এসে জিডি করলেন তার চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা আজিজুল হক।

সাব্বির নিখোঁজ হওয়ার পাঁচ মাস পর শুক্রবার রাতে তার বাবা আনোয়ারা উপজেলার বরুমছড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আজিজুল হক বাকলিয়া থানায় জিডি করেন বলে জানিয়েছেন ওসি আবুল মনসুর।

মঙ্গলবার ঢাকার কল্যাণপুরের এক বাড়িতে জঙ্গি আস্তানায় পুলিশের অভিযানের পর সেখান থেকে ৯ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়।ঘটনার পর তার বাবা বলেছিলেন, নিহতদের মধ্যে একজন তার নিখোঁজ সন্তান হতে পারেন।

কিন্তু পরে নিশ্চিত হন যে মৃতদেহগুলোর মধ্যে তার ছেলে চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সাব্বিরুল নেই।

ওসি আবুল মনসুর বলেন, সাব্বিরের বাবা ঢাকায় নিহতদের লাশ দেখে নিশ্চিত হয়েছেন সেখানে তার নিখোঁজ সন্তান নেই। সে কারণে তিনি থানায় জিডি করেছেন।

জিডিতে সাব্বিরের বাবা উল্লেখ করেছেন, গত ২১ ফেব্রুয়ারি রাউজানে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা বলে নগরীর বাকলিয়া থানাধীন ইসহাকের পুল এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি।

সে চট্টগ্রামের আর্ন্তজাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সীতাকুণ্ড ক্যাম্পাসে ইকনোমিক অ্যান্ড ব্যাংকিং বিষয়ে পড়ালেখা করতেন।

ঢাকায় কল্যাণপুরে নিহত নয় জঙ্গিদের ছবি দেখে সাব্বিরের বাবা সন্দেহ করেন তাদের মধ্যে একজন তার সন্তান হতে পারেন।

ওইসময়ে অনেকটাই নিশ্চিত দাবি করে আজিজুল হক চৌধুরী বিভিন্ন গণ্যমাধ্যমে বলেছিলেন, রাগে-দুঃখে ও লোকলজ্জার ভয়ে সন্তান নিখোঁজ হলেও তারা জিডি করেননি। নিহত ওই যুবক তার সন্তান হলে লাশ নেবেন না বলেও তখন উল্লেখ করেছিলেন।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা তাকে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর ঢাকায় লাশ দেখে নিশ্চিত হন নিহতদের মধ্যে তার সন্তান নেই।

আজিজুল হক চৌধুরী বরুমছড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি। তিনি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের রাজস্ব বিভাগের একজন পরিদর্শকও।

আরও পড়ুন