নিখোঁজ এন-৩২ বিমানটি খুঁজে পেতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চেয়েছে ভারত। শুক্রবার সংসদকে একথা জানিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পরিক্কার। বলেছেন, নিখোঁজ এন-৩২ বিমানটি খুঁজে পেতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চাওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, স্যাটেলাইটে নিখোঁজ বিমানের কোনো সংকেত পাওয়া গেছে কিনা সে বিষয়েই সহায়তা চাওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।
বিমান নিখোঁজের বিষয়ে রাজ্যসভায় দেয়া ব্যাখ্যায় তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিনি খুবই চিন্তিত। বিশেষজ্ঞরাও বিষয়টি নিয়ে গোলক ধাঁধায় রয়েছেন।
মন্ত্রী সংসদকে জানান, ত্রুটিযুক্ত কোনো বিমান চলাচলের অনুমতি নেই। বিমানটি রাডার থেকে হারিয়ে যাওয়ার পরবর্তী ১৫০-২০০ নটিক্যাল মাইল এলাকায় কোনো রাডার কাভারেজও ছিল না। যে কারণে বিমানটির সঠিক হদিস বা অবস্থান জানা সম্ভব হচ্ছে না।
স্বাভাবিক চলাচলের উপযোগী বিমানটির চালক ওই রুটে ৫০০ ঘণ্টার মতো বিমান চালিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
মনোহর পরিক্কার বলেন, সবকিছুই স্বাভাবিক ছিল। এটা যেন অনেকটা হঠাৎ গায়েব হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা। বিমানটি থেকে কোনো বিপদ সংকেতও পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।
তবে এক্ষেত্রে কোনো ষড়যন্ত্র হয়েছে বলেও মনে করছেন না মন্ত্রী।
গত ২২ জুলাই ভারতীয় বিমানবাহিনীর (আইএএফ) একটি বিমান ২৯ জন আরোহী নিয়ে চেন্নাইয়ের ঘাঁটি থেকে উড্ডয়নের পর নিখোঁজ হয়ে যায়। বিমানে থাকা ২৯ আরোহীর মধ্যে ৬ জন ক্রু। চেন্নাই থেকে বিমানটি আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের পোর্ট ব্লেয়ার বন্দরে অবতরণের কথা ছিল। যাত্রা শুরুর পর রাডারের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর অনেক চেষ্টা করেও বিমানটির সঙ্গে আর যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। অবশ্য বিমানটি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগে একটি জরুরি নির্দেশনা (beacon locator) পাঠায়। সাধারণত বিধ্বস্ত হওয়ার আগে বিমান এ ধরনের জরুরি নির্দেশনা পাঠিয়ে থাকে।


