বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

তদন্তকারীদের সঙ্গে কথা ছাড়া ‘কথিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন’ নয়: পুলিশ

GULSHAN_hasnatগুলশানে জঙ্গি হামলার ঘটনা নিয়ে তদন্ত সংস্থার সঙ্গে কথা না বলে ‘কথিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন’ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয়, শোলাকিয়ার ঈদগাহ ময়দানের কাছে সন্ত্রাসী হামলা নিয়ে সুনির্দিষ্ট ‘রেফারেন্স’ ছাড়া কোনো ধরনের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করবেন না। এ ধরনের প্রতিবেদনে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টির সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

রোববার (০৭ আগস্ট) রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রতি এ অনুরোধ জানান ডিএমপির এ অতিরিক্ত কমিশনার।

আর্টিজানে সন্ত্রাসী হামলা নিয়ে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের কথিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের ফলে তদন্তকারীদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি হয়। তদন্ত ভিন্নখাতে প্রবাহিত হওয়ার আশঙ্কাও থেকে যায়।’

আর্টিজানের সন্ত্রাসী হামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘তদন্তে অগ্রগতি আছে। কারা অর্থ ও অস্ত্রের যোগান দিয়েছিল সব তথ্য আমরা পেয়েছি। এর সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করতে পারলেই পুরো ঘটনা পরিষ্কার হয়ে যাবে।’

হাসনাত ও অস্ত্র হাতে তাহমিদের যে ছবি গণমাধ্যমে এসেছে, সে বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মনিরুল বলেন, “তারা রিমান্ডে আছে, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আপনাদের স্পষ্টভাবে এই বিষয়গুলো জানাব। কী পরিস্থিতিতে তাদের হাতে অস্ত্র উঠল… এগুলো জানার জন্যই জিজ্ঞাসাবাদ করা।”

তদন্ত সংস্থার কাছে যদি তাদের এ মামলায় জড়িত বলে মনে হয়, সেক্ষেত্রে তাদের এ মামলায়ও গ্রেপ্তার দেখানো হবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

“যে সমস্ত পুলিশ সদস্য সেখানে প্রথমেই হাজির হয়েছিল তাদেরকেও আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। ইন্টারভিউ হচ্ছে, অসংখ্য মানুষের ইন্টারভিউ হচ্ছে। সুনির্দিষ্টভাবে বলাটা এই মুহূর্তে সম্ভব নয় যে ঠিক কত মানুষকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করেছি।”

ছবি নিয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে মনিরুল বলে, “এ ধরনের ছবি যদি আর কারও কাছে থাকে, তাহলে সেগুলো তদন্ত সংস্থার কাছে সরবরাহ করার জন্য অনুরোধ রইল। আমরা অনেক ছবি পেয়েছি যেগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।”

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আপনাদের মাধ্যমে অনুরোধ জানাচ্ছি, এ ধরনের প্রতিবেদন যেন কেউ প্রকাশ না করে। আর কারো কাছে যদি এক্সক্লুসিভ কোনো ছবি বা তথ্য থাকে তারা যেন সরাসরি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।’

আরও পড়ুন