হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামে চার শিশুকে অপহরণের পর শ্বাসরোধে হত্যা মামলায় পলাতক ৩ আসামির বিষয়ে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত জব্দ দুইটি সিএনজি অটোরিকশা মালিকের জিম্মায় নেয়ার আবেদন নাকচ করা হয়েছে।
রোববার বিকাল সাড়ে ৪টায় শুনানি শেষে হবিগঞ্জে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাফরোজা পারভীনের আদালত এ আদেশ দেন। ২২ আগস্ট মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
শুনানিকালে এই মামলায় কারাগারে আটক আব্দুল আলী বাগাল, তার ছেলে জুয়েল মিয়া ও রুবেল মিয়া, ভাতিজা সাহেদ আলী ওরফে সায়েদ, অন্যতম সহযোগী হাবিবুর রহমান আরজুকে আদালতে হাজির ছিলেন।
এ মামলার পলাতক আসামিরা হচ্ছেন- বাবুল মিয়া, উস্তার মিয়া ও বেলাল মিয়া।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে পলাতক তিন আসামির মালামাল ক্রোকাদেশ কার্যকর হয়েছে। পুলিশ তাদের মালামাল ক্রোক করেছে। তাই রোববার নির্ধারিত তারিখে পলাতকদের বিষয়ে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
এছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত জব্দ সিএনজি অটোরিকশা নিজেদের জিম্মায় নেয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন মালিক কদ্দুছ মিয়া এবং অপরটির মালিক হত্যাকা-ের অন্যতম আসামি বাচ্চু মিয়ার (র্যাবের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত) পরিবার। বিচারক তাদের এ আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), তার চাচাতো ভাই মনির মিয়া (৭), তাজেল মিয়া (১০) ও ইসমাইল হোসেন (১০) গত ১২ ফেব্রুয়ারি গ্রামের পাশের মাঠে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের পাঁচদিন পর ১৭ ফেব্রুয়ারি বাড়ির অদূরে একটি বালুর ছড়া থেকে মাটি চাপা দেয়া অবস্থায় তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।



