বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

কেরানীগঞ্জে ঝড়ে শতাধিক ঘরবাড়ি ভাঙচুর, বজ্রপাতে গৃহবধূর মৃত্যু

kerani--newsকেরানীগঞ্জে প্রবল ঝড়ে প্রায় শতাধিক ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। রোববার দুপুর ১২টা থেকে পৌনে ১টা পর্যন্ত উপজেলার কলাতিয়া, হযরতপুর ও তারানগর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামে ঝড়ের এ তাণ্ডব চলে। এ সময় মোসাম্মদ সামান্তা বানু (৪৫) নামে এক গৃহবধূর বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে।

এ ছাড়াও ওই এলাকার প্রায় শতাধিক বাড়িঘরের চাল উড়ে যায় এবং সড়কের পাশে থাকা গাছ উপড়ে গিয়ে সড়ক চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট শেষে স্বজনদের কাছে লাশটি বুঝিয়ে দিয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুরে হঠাৎ হযরতপুর, কলাতিয়া ও তারানগর এলাকায় প্রবল ঝড় শুরু হয়। ঝড়ে হযরতপুর ইউনিয়নের মধুরচর এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। সেখানে সামান্তা বানু নামের এক মহিলা ঘর থেকে বের হয়ে উঠান থেকে কিছু একটা জিনিস আনতে গিয়ে বজ্রপাতের শিকার হয়ে মারা যান। এ সময় ওই এলাকার প্রায় শতাধিক ঘরবাড়ি ঝড়ের কবলে পড়ে চাল উড়ে গিয়ে তছনছ হয়ে যায়।

মধুরচর এলাকার বাসিন্দা জসিম উদ্দিন জানান, আমাদের এলাকায় ঝড়ের সময় বজ্রপাত হয়ে মোসাম্মদ সামান্তা বানু নামে এক গৃহবধূ মারা গেছেন। তার গ্রামের বাড়ি হযরতপুর ইউনিয়নের মধুরচর এলাকায়। তার স্বামীর নাম নুর মোহাম্মদ শেখ।

হযরতপুর ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন আয়নাল জানান, অসময়ে ঝড় হয়ে আমার ইউনিয়নের রসুলপুরে ব্যাপক ক্ষতি হয়ে গেছে। ঘরবাড়ির চালা উড়ে গিয়ে পড়েছে অন্য বাড়িতে। রাস্তাঘাটের পাশের গাছগুলো উপড়ে পড়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে বেশ কয়েকটি এলাকার সড়ক যোগাযোগ। এমনকি কেরানীগঞ্জ থেকে সাভার যাওয়ার একমাত্র সড়কটির বিভিন্ন পয়েন্টে গাছ উপড়ে পড়েছে। এতে ওই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

তিনি আরও জানান, বজ্রপাতে আমার ইউনিয়নে এক নারী মারা গেছে। আমাদের তরফ থেকে যা করার আমরা করব।

এ ব্যাপারে কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন কলাতিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মনির হোসেন জানান, ঝড়ের সময় হযরতপুর ইউনিয়নের মধুরচর এলাকায় এক নারী বজ্রপাতে মারা গেছে। এছাড়া কলাতিয়া, তারানগর ও হযরতপুর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি এলাকার ঘরবাড়ি ভেঙে গিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

আরও পড়ুন