বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় মান্নার জামিন

মাহমুদুর রহমান মান্নারাষ্ট্রদ্রোহের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গুলশান থানায় করা একটি মামলায় জামিন পেলেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। তবে মান্না অন্য একটি মামলায় গ্রেপ্তার থাকায় এখনই তিনি জামিনে বের হতে পারছেন না।

আজ মঙ্গলবার বিচারপতি সৈয়দ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

মান্নার আইনজীবী ইদ্রিসুর রহমান বলেন, গত বছরের মার্চে করা রাষ্ট্রদ্রোহের এ মামলায় আদালত মান্নার জামিন মঞ্জুর করেছেন। এর আগে চলতি বছরের ২১ মার্চ কেন মান্নাকে জামিন দেওয়া হবে না, এ মর্মে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। রুলের শুনানি শেষে তা নিষ্পত্তি করে আজ আদালত এ আদেশ দেন।

ইদ্রিসুর রহমান আরও জানান, মান্নার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় আরও একটি মামলা রয়েছে। সেই মামলায় আগামী ২৪ অক্টোবর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ ধার্য রয়েছে। এই তারিখের পর এ মামলায় জামিনের শুনানি হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিএনপির নেতা সাদেক হোসেন খোকা এবং অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির সঙ্গে মোবাইল ফোনে মান্নার কথোপকথন নিয়ে গত বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। এরপর রাত সাড়ে তিনটার দিকে বনানীর একটি বাসা থেকে মান্নাকে গোয়েন্দা পুলিশের পরিচয়ে একটি দল তুলে নিয়ে যায় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়। ওই সময় গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে মান্নাকে আটক করার কথা অস্বীকার করা হয়। দিনভর মান্নার খোঁজ পাওয়া না গেলেও পরের দিন রাত সাড়ে ১২টার দিকে গুলশান থানার পুলিশের হাতে হস্তান্তর করে র‌্যাব। তখন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বিদ্রোহে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে মান্নার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৩১ ধারায় গুলশান থানায় মামলা করেন এসআই সোহেল রানা।

পরে রাষ্ট্রদ্রোহের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে মান্না ও খোকাকে আসামি করে আরেকটি মামলা করা হয়। মামলাটি করেন থানার অপারেশন অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) সোহেল রানা।

আরও পড়ুন