“একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীকে উচ্চ আদালত থেকে খারিজ হওয়া রিভিউ আবেদনের আদেশ আজ (বুধবার) সকাল সাড়ে ৭টায় পড়ে শোনানো হয়েছে। তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার জন্য চিন্তা করে জানাবেন বলে কারা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। তার জন্য সময় ৭ দিন।”
বুধবার বিকালে কারা অধিদফতরে সাংবাদিকদের অনানুষ্ঠানিক এক ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানিয়েছেন কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন।
আইজি প্রিজন বলেন, ‘আমরা তাকে রিজেনবল সময় দেবো। সাধারণ আসামিদের ক্ষেত্রে রিজেনবল সময় সাতদিন। তবে আইসিটি আইনে এরকম কোনও নিয়ম নেই। তবে তিনি সর্বোচ্চ সাতদিনের বেশি সময় পাবেন না।’
প্রস্তুতির বিষয়ে আইজি প্রিজন বলেন, ‘কারাগারের ওপর যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তা পালনে কারা কর্তৃপক্ষ সবসময় প্রস্তুত থাকে।’
তবে কোন কারাগারটিকে তার ফাঁসির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
তিনি বলেন, ‘গতকাল রাতে রিভিউর আদেশ পাওয়ার পর পরই আমরা তা কাশিমপুর কারাগারে পাঠিয়ে দিয়েছি। বুধবার সকাল সাড়ে ৭টায় তাকে রায় পড়ে শোনানো হয়েছে। এরপর তার পরিবার দেখাও করেছে।’
এটা তার পরিবারের শেষ দেখা কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সাধারণত কোনও রায় হলে, এমনিতেই স্বজনরা দেখা করার সুযোগ পায়। এটাও তাই। তারা আরও সুযোগ পাবেন।’


