মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলী রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা না চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় তার ফাঁসি কার্যকরে আর কোনো আইনি বাধা রইল না। এমনটাই জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
শুক্রবার দুপুরে মীর কাসেম আলী রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন না বলে জানান। ফলে ফাঁসি কার্যকরের আগের সর্বশেষ আইনি প্রক্রিয়াটিও শেষ হয়েছে। এখন কারা কর্তৃপক্ষ যে কোনো সময় তার ফাঁসি কার্যকর করতে পারবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি মোখলেসুর রহমান বাদল।
তিনি বলেন, ‘ফাঁসি কার্যকরে এখন আর কোনো আইনগত বাধা নেই। জেল কোড অনুযায়ী যে কোনো সময় তার ফাঁসি কার্যকর করা যাবে। হয়তো কারা কর্তৃপ¶ সেই প্রস্তুতি নিচ্ছে।’
শুক্রবার বিকালে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার-২ এর জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক বলেন, ‘মীর কাসেমের কাছে প্রাণভিক্ষার বিষয়টি শুক্রবার দুপুরে আবার জানতে চাওয়া হয়েছিল। তিনি জানিয়েছেন, তিনি প্রাণভিক্ষা না চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি।’
তবে কবে নাগাদ ফাঁসি কার্যকর করা হবে-সে বিষয়ে তিনি কোনো কিছু জানাতে পারেননি। এদিকে, কাশিমপুর কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।


