ঢাকার মিরপুরের রূপনগরে পুলিশের অভিযানে নিহত নব্য জেএমবির সামরিক প্রশিক্ষক মুরাদ ওরফে মেজর মুরাদের শরীরে মোট ৯টি গুলির ক্ষত পাওয়ার কথা জানিয়েছেন তার ময়না তদন্তকারী চিকিৎসক।
শনিবার দুপুর পৌনে ২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত মুরাদের মরদেহের ময়নাতদন্ত হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
পরে হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের সহকারি অধ্যাপক সোহেল মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, মুরাদের মাথায় লেগেছে তিনটি গুলি; বাকিগুলো শরীরের বিভিন্ন স্থানে। তবে সবকটি গুলিই শরীরে লেগে বেরিয়ে গেছে বলে জানান তিনি।
শুক্রবার রাতে রূপনগর আবাসিক এলাকার ৩৩ নম্বর সড়কের একটি ছয়তলা ভবনে পুলিশের অভিযানে নিহত হন মুরাদ, যাকে ‘নব্য জেমএমবির’ শীর্ষনেতা তামিম চৌধুরীর ‘ডান হাত’ বলছে পুলিশ।
গত ২৭ অগাস্ট নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ায় পুলিশের অভিযানে নিহত হন গুলশানের হলি আর্টজান রেস্তোরাঁয় হামলার হোতা তামিম।
কল্যাণপুরে নিহত ৯ জঙ্গি ও নারায়ণগঞ্জে নিহত ৩ জঙ্গির লাশের মতো মুরাদের লাশও ঢাকা মেডিকেলের মরচুয়ারিতে রাখা হবে বলে জানান চিকিৎসক সোহেল মাহমুদ।
মিরপুরের অভিযানে গিয়ে আহত হন রূপনগর থানার ওসি শহীদ আলম ও পরিদর্শক (তদন্ত) শাহীন ফকির। শহীদের কোমরে এবং শাহীনের কাঁধ ও মাথায় ধারালো অস্ত্রের কোপ লাগে।
তবে অস্ত্রোপচারের পর দুজনই এখন শঙ্কামুক্ত বলে শনিবার জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান।


