বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

মীর কাসেমকে তওবা পড়ালেন মুফতি হেলাল

মীর কাসেমকে তওবা পড়ালেন মুফতি হেলালমানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীকে ফাঁসির আগে তওবা পড়ালেন মুফতি হেলাল উদ্দীন।

তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর কারা জামে মসজিদের ইমাম। কারা সূত্র শনিবার রাতে এ তথ্য জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় কারা মসজিদের ইমাম হাফেজ মুফতি হেলাল উদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে জ্যেষ্ঠ জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক ও জেল সুপার নাসির আহমদ কনডেম সেলে মীর কাসেমের কক্ষে যান।  সেখানে মীর কাসেমের কাছে গিয়ে তাঁরা জানতে চান, তার কোনো কিছু খেতে ইচ্ছে করছে কিনা?

জবাবে মীর কাসেম আলী বলেন, ‘না’। এরপর মীর কাসেমকে জেল সুপার নাসির উদ্দিন বলেন, ‘এটাই আপনার শেষ রাত। এ রাতেই আপনার ফাঁসি কার্যকর করা হবে। এখন আপনাকে তওবা পড়তে হবে’। তখন মীর কাসেম বলেন, ‘আমি নিজেই তওবা পড়তে পারবো’। এরপর তিনি নিজেই তওবা পড়ে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করেন।

জানা যায়, ফাঁসির মঞ্চে আরও থাকেন অতিরিক্ত আইজি প্রিজন কর্নেল ইকবাল হাসান, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এসএম আলম, পুলিশ সুপার (এসপি) হারুনুর রশিদ, সিভিল সার্জন ডা. হায়দার আলী খান, কাশিমপুর কারাগার-২ এর সিনিয়র জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক, জেলার নাশির আহমেদ।

এছাড়া মঞ্চের চারপাশে ২০ জন কারারক্ষী থাকেন।

কারা সূত্র জানায়, মীর কাসেমের ফাঁসি কার্যকর করতে শাহজাহান ভুঁইয়ার নেতৃত্বে প্রস্তুত রয়েছে জল্লাদের ছয় সদস্যের একটি দল। জল্লাদ শাহজাহান ভুঁইয়াকে সহযোগিতা করবেন দীন ইসলাম, শাহীন ও রিপন। তারা ফাঁসি কার্যকরের মহড়াও দিয়েছে।

কাশিমপুর কারাগারের জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক বলেন, কোনো আসামির ফাঁসি কার্যকরে যা যা করণীয় এ ক্ষেত্রেও তাই করা হয়। এজন্য জল্লাদ নির্ধারণ থেকে শুরু করে সবকিছুই করা হয়।

আরও পড়ুন