বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

আসামীর স্ত্রীকে ধর্ষণ: এসআইকে বাঁচিয়ে মামলা সোর্সের নামে

আসামির দুই স্ত্রীকেই ধর্ষণ করল এসআই (2)নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় আসামির দুই স্ত্রীকে পুলিশ ও সোর্সের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেলেও শুধু দুই সোর্সের নামে মামলা হয়েছে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ সরাফত উল্লাহ বলেন, “রিমান্ডের আসামির দুই স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশের দুই সোর্সকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে শনিবার মামলা হয়েছে। এছাড়া ধর্ষণের শিকার দুই নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।”

দুই সোর্স হলেন নজরুল ইসলাম ওরফে তোতলা নজরুল ও শুভ।

এর আগে বৃহস্পতিবার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই আতাউর রহমান ও পুলিশের এই দুই সোর্সের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনেন ডাকাতি মামলায় রিমান্ডে থাকা এক আসামির দুই স্ত্রী।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারুক হোসেন বলছেন, রিমান্ডের আসামির দুই স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে দুই সোর্সের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসআই আতাউর এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। তার সঙ্গে আসামির দুই স্ত্রীর কোনো কথা হয়নি। তাদের কাছেও তিনি যাননি। এ কারণে তাকে মামলায় আসামি করা হয়নি।”

তবে এসআই আতাউরকে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় বলে জানিয়েছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ফারুক হোসেন। কমিটির প্রধান তিনি নিজেই।

দুই স্ত্রী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, তাদের স্বামীকে বুধবার রিমান্ডে নেওয়ার পর ওই দিনই রাত সাড়ে ১০টার দিকে এসআই আতাউর রহমানের সোর্স নজরুল ও শুভ দুই স্ত্রীকে মোবাইল ফোনে ডেকে নেন থানার অদূরে একটি ফ্ল্যাটে। তারা সেখানে তাদের প্রথমে ধর্ষণ করেন। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে এসআই আতাউর রহমানও ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে ছোট স্ত্রীকে ধর্ষণ করেন।

আরও পড়ুন