বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

মীর কাসেম আলীর কবর প্রস্তুত, পরিবার গ্রামে

Mir kasem aliএকাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর নেতা মীর কাসেম আলীকে নিজ গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার চালা গ্রামে দাফন করা হবে। সেখানে এরই মধ্যে কবর প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

কারাগার থেকে সাক্ষাৎ শেষেই বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন মীর কাসেম আলীর পরিবার। রাত ১১টার দিকে পাঁচটি গাড়িতে করে মীর কাসেমের পরিবারের সদস্যরা তার নিজ গ্রাম চালায় পৌছান।

এ কারণে পুলিশ চালা গ্রামে তাঁর প্রতিষ্ঠিত মসজিদ প্রাঙ্গণসহ আশপাশে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে। সেখানে সাংবাদিকসহ কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

এলাকার একটি সূত্র জানিয়েছে, চালা গ্রামের মসজিদের পেছনে লেবুবাগানে মীর কাসেম আলীর কবর প্রস্তুত করা হয়েছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এলাকায় ব্যাপক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ঘিওর-হরিরামপুর সড়কের কলপা বাজারে পুলিশের ব্যারিকেড রয়েছে। এই রাস্তা দিয়েই চালা গ্রামে যেতে হয়। পুলিশ সেখানেই সাংবাদিকসহ সবাইকে আটকে দিচ্ছে।

এর আগে আজ শনিবার সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাহফুজুর রহমান জানিয়েছিলেন, ‘মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকরের পর লাশ ওই চালা গ্রামে দাফন করা হতে পারে। দাফনের যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে। ওই এলাকাসহ পুরো জেলায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।’

এর আগে রাতে কাশিমপুর কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক সাংবাদিকদের জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকর করা হয়। ১০ মিনিট পর অর্থাৎ ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে কাসেম আলীর দেহ ফাঁসির মঞ্চ থেকে নামানো হয়।

প্রশান্ত কুমার আরো জানান, এরপর সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মীর কাসেমের মরদেহ মানিকগঞ্জে নিজ গ্রামে পাঠানো হবে। মীর কাসেমের ইচ্ছে অনুযায়ী তাঁর মরদেহ মানিকগঞ্জে পাঠানো হচ্ছে বলে জানান জেল সুপার।

আরও পড়ুন