টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় কবির হোসেন (২২) নামের স্থানীয় এক নেতার মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
নিহত কবির হোসেন গোপালপুর উপজেলার ভোলারপাড়া গ্রামের ফজু মিয়ার ছেলে। তিনি হেমনগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ছিলেন।
শনিবার হেমনগর কলেজ শাখা ছাত্রলীগের কমিটি গঠন নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত সাতজন আহত হয়।
স্থানীয় লোকজন জানান, হেমনগর ডিগ্রি কলেজের ছাত্রলীগের কমিটি গঠন নিয়ে দুটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। এ দ্বন্দ্ব নিরসনের লক্ষ্যে শনিবার উভয় পক্ষ একত্র হয়। কিন্তু তাদের মধ্যে আবারও বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। আহতদের উদ্ধার করে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। গুরুতর আহত কবির হোসেনকে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আবদুল জলিল জানান, এ ব্যাপারে একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। নিহতের লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গ থেকে গ্রামের বাড়িতে আনা হচ্ছে।
এদিকে কবির হোসেন মারা যাওয়ার খবর গোপালপুরে পৌঁছালে তার সমর্থকরা বিচারের দাবিতে মিছিল বের করেন।
এ ব্যাপারে গোপালপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মঞ্জুরুল হক ফরিদ জানান, গোপালপুরে ছাত্রলীগের কোনো দ্বন্দ্ব বা কোন্দল নেই। এলাকায় নিজেদের মধ্যে প্রাধান্য বিস্তার নিয়ে কেউ এ ঘটনা ঘটতে পারে।


