বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

জামিনে কারামুক্ত শফিক রেহমান

জামিনে কারামুক্ত শফিক রেহমানসাংবাদিক শফিক রেহমান জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে তিনি মুক্তি পান। এ সময় তাঁর স্ত্রী তালেয়া রেহমানসহ পরিবারের লোকজন কারাফটকে তাঁকে গোলাপ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার‍-২-এর সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক বলেন, ৩১ আগস্ট শফিক রেহমান উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান। গতকাল সোমবার রাতে তাঁর জামিনের কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছে। পরে তা যাচাই-বাছাই শেষে আজ দুপুরে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়।

কাশিমপুর কারাগার থেকে দুপুর পৌনে ১টার দিকে কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী তালেয়া রেহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা। ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য তিনি বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হবেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যা পরিকল্পনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আপিল বিভাগ থেকে জামিন পেয়েছেন বর্ষীয়ান সাংবাদিক শফিক রেহমান।

গত ১৬ এপ্রিল রাজধানীর ইস্কাটনের বাসা থেকে শফিক রেহমানকে নিয়ে যায় ডিবি পুলিশ। পরে জয়কে অপহরণ করে হত্যা চেষ্টার পরিকল্পনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গ্রেপ্তারের পর দুই দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় শফিক রেহমানকে। ওই বাসায় তল্লাশি চালিয়ে জয়-সংক্রান্ত কিছু তথ্য ও গোপনীয় নথিপত্র পাওয়া গেছে বলে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযোগ। অন্য দিকে শফিক রেহমানের স্ত্রী তালেয়া রেহমানের দাবি, অনুসন্ধানী সাংবাদিক হিসেবে নিবন্ধ লেখার জন্যই তার স্বামী ওই তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন।

এ মামলায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে জামিন না পেয়ে গত ২৫ মে হাইকোর্টে জামিন চেয়েছিলেন শফিক রেহমান। তারপর ৭ জুন বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জমান ও বিচারপতি মো: আতাউর রহমান খানের হাইকোর্ট বেঞ্চও শফিক রেহমানের জামিন আবেদন খারিজ করে দেন। হাইকোর্টে জামিন আবেদন খারিজের বিরুদ্ধে গত ২৯ জুন আপিল বিভাগে আবেদন করেন শফিক রেহমান। পরে চেম্বার আদালত এই আবেদন পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। গত ১৭ জুলাই তিনি আপিলের অনুমতি পান। সেই আপিলের ওপর শুনানি শেষে আদালত তাকে জামিন দেন।

আরও পড়ুন