বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

আরও ১৬ বীরাঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি

আরও ১৬ বীরাঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতিমুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের হাতে নির্যাতিত আরও ১৬ বীরাঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দিয়েছে সরকার। গত ১ সেপ্টেম্বর তাদের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট জারি করা হয়েছে। এ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়া বীরাঙ্গনার সংখ্যা দাঁড়ালো ১৪৬ জনে।

মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এম এ হান্নান বৃহস্পতিবার (০৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সচিব বলেন, “বীরাঙ্গনাদের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি একটা চলমান প্রক্রিয়া। এটি হতে থাকবে। তারা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আবেদন করেন, জামুকা (জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল) আবেদন যাচাই-বাছাই ও এ বিষয়ে তদন্ত করে আমাদের কাছে সুপারিশ করে। আমরা গেজেট জারি করি।”

মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়া ১৬ বীরাঙ্গনাদের মধ্যে রয়েছেন- ঠাকুরগাঁওয়ের রাণী শংকৈলের মৃত শ্রীমতি তিত্ত বালা, সাতক্ষীরার দেবহাটার মৃত সতী সাবিত্রী চক্রবর্তী ও নিছতারা বিবি, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার মোছা. শুকুরন নেছা, শেরপুরের নালিতাবাড়ীর মোছা. হাফিজা বেওয়া ও সমলা বেওয়া।

এ ছাড়া গাইবান্ধার সাদুল্লাহপুরের মোছা. ছাপাতন বেওয়া, গোপালগঞ্জ সদরের রাশিদা বেগম, সিলেটের শিবগঞ্জের রোকেয়া বেগম, বরিশালের আগৈলঝাড়ার কানন গোমেজ, মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার মিনারা বেগম, হবিগঞ্জের মাধবপুরের সন্ধ্যা ঘোষ, কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের মোসা. আফিয়া বেগম, নাটোর সদরের মোছা. শেফালী বেগম ও শ্রীমতি বিমলা রাণী সরকার, লালমনিরহাটের হাতিবান্ধার আমিচা বেগমকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এ বীরাঙ্গনারা প্রতি মাসে ভাতাসহ মুক্তিযোদ্ধাদের মতো অন্যান্য সব সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

আরও পড়ুন