বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

বিশ্ব নেতাদের মধ্যে যাদের মুখ খারাপ

worldমার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে অশ্লীল গালি দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তে। অকথ্য ভাষা ব্যবহার করে দুতার্তের অন্যকে বিদ্রূপ করার ঘটনাটি সাম্প্রতিক। তাঁর আগে আরও অনেক রাজনীতিক মুখ খারাপ করার তালিকায় নাম লিখিয়েছেন। বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে তেমন কিছু ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে।

১৯৯৯ সালে ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাতকে অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করেন সিরিয়ার তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল মুস্তাফা তালাস। তাঁর মন্তব্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। দেখা দেয় কূটনৈতিক টানাপোড়েন। গাজায় হাজারো মানুষ বিক্ষোভ করে।

২০০৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশকে কঠোর ভাষায় বিদ্রূপ করেন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হুগো চাভেজ। তিনি জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে বুশকে ‘শয়তান’ বলে অভিহিত করেন।

মালয়েশীয় বিমান ইউক্রেনে ভূপাতিত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবোট এক বিতর্কিত মন্তব্য করেন। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার হুমকি দেন তিনি।

২০০৭ সালে হিলারি ক্লিনটনকে নিয়ে অসম্মানজনক মন্তব্য করেন যুক্তরাজ্যের রাজনীতিক বরিস জনসন। হিলারিকে ‘ধর্ষকাম সেবিকা’ হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি।

অর্গানাইজেশন অব আমেরিকান স্টেটসের (ওএএস) প্রধান লুইস আলমারগোকে চলতি বছর ‘জঞ্জাল’, ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে গাল দেন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। লুইসও মাদুরোকে পাল্টা ‘একনায়ক’ বলেন।

উল্টাপাল্টা বলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচিত-সমালোচিত। তিনি বিভিন্ন সময় তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্রেটিক দলের হিলারি ক্লিনটনকে আক্রমণ করেছেন। হিলারিকে ‘শয়তান’, ‘দুর্নীতির রানি’ বলতেও ছাড়েননি তিনি। ট্রাম্পের তির্যক বাক্যবাণ থেকে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও রক্ষা পাননি।

২০১৩ সালে উরুগুয়ের প্রেসিডেন্ট জোসে মুজিকা এক সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিনা কির্চনারকে ‘বুড়ো ডাইনি’ বলে অভিহিত করেন বলে অভিযোগ ওঠে। মাইক্রোফোনে তা ধরাও পড়ে। তবে উরুগুয়ের প্রেসিডেন্ট এই অভিযোগ অস্বীকার করেন।

২০০৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটুকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবে।

আরও পড়ুন