বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আশা ফখরুলের

fakhrul

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই বাংলাদেশের ‘হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে’ বলে আশা প্রকাশ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

১১ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার নবম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন মির্জা ফখরুল। এতে তিনি খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

বিবৃতিতে ফখরুল বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কতিপয় কুচক্রীর হাতে নির্মমভাবে শহীদ হওয়ার পর ষড়যন্ত্রকারীরা জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। কিন্তু জনগণের কেড়ে নেওয়া অধিকার পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যে শহীদ জিয়ার জাতীয়তাবাদী ও গণতন্ত্রের রাজনীতির পতাকাকে উড্ডীন করে খালেদা জিয়া রাজনৈতিক মঞ্চে উপস্থিত হয়েছিলেন।’

সেই থেকে খালেদা জিয়া দেশের সব অগণতান্ত্রিক দেশবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে অবিরাম লড়াই অব্যাহত রেখেছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। মির্জা ফখরুল বলেন, এর ফলে জনগণ তাঁকে আপসহীন নেত্রীর মর্যাদা দিয়েছে।

জাতীয় স্বার্থরক্ষার প্রশ্নে খালেদা জিয়ার অবিচল সংগ্রামকে কোনো শক্তিই পরাভূত করতে পারেনি উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘দীর্ঘ নয় বছরের স্বৈরাচারবিরোধী নিরবচ্ছিন্ন আন্দোলন করে তিনি দেশে সাংবিধানিক গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য নিরলস পরিশ্রম করে তাঁর শাসনামলে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে উন্নীত করেন।’

‘খালেদা জিয়া দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি অবিচল থাকায় দেশি-বিদেশি চক্রান্তকারীরা তার কাছ থেকে স্বার্থ আদায় করতে না পেরে আবারও নতুন করে তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে। ১১ জানুয়ারি ২০০৭ সালে সংবিধানবহির্ভূত পন্থায় ক্ষমতা দখলকারীরা জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য আবারও নতুন খেলায় মেতে উঠেছিল। এরই অংশ হিসেবে ওই বছরের ২ সেপ্টেম্বর তৎকালীন সরকার খালেদা জিয়াকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে গ্রেপ্তার করে। মাইনাস টু তত্ত্বসহ নানাবিধ অপকৌশল অবলম্বন করে ও অপপ্রচার চালিয়ে খালেদা জিয়াকে তাঁর প্রিয় স্বদেশ ও জনগণের কাছ থেকে সরিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থন ও আস্থা এবং দেশ ও জনগণের প্রতি খালেদা জিয়ার দৃঢ় কমিটমেন্টে ষড়যন্ত্রকারীদের সকল কুটকৌশল ব্যর্থ হয়ে যায় এবং এক বছর পরে তাঁকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।’

খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দুঃশাসনের বিরুদ্ধে এবং জনগণের অধিকারের প্রশ্নে রাজনৈতিক সংগ্রামে শামিল হতে পেরে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মির্জা ফখরুল। তিনি খালেদা জিয়ার সর্বাঙ্গীণ সাফল্যও কামনা করেন।

আরও পড়ুন