গতকাল শনিবার সকালে কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর লাগা আগুন রোববার সকালেও পুরোপুরি নেভেনি। সকাল সাড়ে আটটার দিকে কারখানায় আগুন জ্বলতে দেখা গেছে। আগুন নেভাতে পালাক্রমে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ২৫টি ইউনিট।
টঙ্গীর বিসিক শিল্পনগরীতে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল প্যাকেজিং কারখানায় বিস্ফোরণের পর আগুনে দগ্ধ হয়ে মৃতের সংখ্যা ২৫ জনে দাঁড়িয়েছে।
গতকাল দিবাগত রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রিপন দাস (৩৫)। হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
রিপন দাস ওই কারখানার প্রিন্টিং অপারেটর ছিলেন। তাঁর বাড়ি টাঙ্গাইলে।
গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, দিনভর চেষ্টার পর গভীর রাতে কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আজ সকালে কোথাও কোথাও আগুন জ্বলতে দেখা গেছে। তবে এই আগুন ছড়ানোর আশঙ্কা নেই।
ঘটনাস্থলে থাকা কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের লিডার সাইফুল ইসলাম বলেন, কারখানার আগুন পুরোপুরি নেভেনি। তবে আগুনের তীব্রতা কমেছে। ধোঁয়ার কুণ্ডলী এবং পানির সংকটের কারণে আগুন নেভাতে সমস্যা হচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, কারখানার ভেতরে এখন পর্যন্ত উদ্ধার-তৎপরতা শুরু করা যায়নি। ভেতরে কোনো লাশ আছে কি না, তাও নিশ্চিত নয়।
নিখোঁজ কয়েক ব্যক্তির স্বজনদের আজ সকালে কারখানার আশপাশের এলাকায় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।


