গুলশান হামলার পর সশস্ত্র বাহিনীর অভিযানে নিহত ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনকে জেএমবি সদস্য হিসেবে চিহ্নিত করে পুলিশ; আর সাইফুল চৌকিদার নামে আরেকজন ছিলেন ওই বেকারির পাচক।
সাইফুল জঙ্গি নন বলে পরিবার দাবি করে এলেও গুলশান হামলার ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলায় তাকে আসামি করা হয়। এজাহারে বলা হয়, সাইফুল ‘হামলাকারীদের সঙ্গে থেকে তাদের সহায়তা করেন’।
সাইফুলের জঙ্গি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না জানতে চাইলে অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল বলেন, তারা এখনও বিষয়টি ‘সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করতে পারেননি’।
“তার সম্পৃক্ততা নাই এটা বলা যাবে না, সম্পৃক্ততা আছে সুনির্দিষ্ট করে এটাও বলার সময় আসেনি। এখনও বিষয়টি তদন্তাধীন।”
সেই জঙ্গি হামলার কয়েক ঘণ্টার মাথায় ওই এলাকা থেকে জাকির হোসেন শাওন নামে আরেক তরুণকে রক্তাক্ত অবস্থায় আটক করেছিল পুলিশ। শাওনও হলি আর্টিজানে বাবুর্চির সহকারী হিসেবে কাজ করতেন।
এক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর হাসপাতালে শাওনের মৃত্যু হয়। তার জঙ্গি সম্পৃক্ততার সন্দেহ নিয়েও পুলিশ নিশ্চিত কোনো তথ্য পায়নি বলে জানান মনিরুল।


