মেহের আফরোজ শাওন নন্দিত অভিনেত্রী ও নির্মাতা। আরেকটি পরিচয় কিংবদন্তি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার হুমায়ূন আহমেদপত্নী।
হুমায়ূন আহমেদ নির্মিত এক সময়ের জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘আজ রবিবার’ সম্প্রতি নতুন করে প্রচারিত হতে যাচ্ছে। জনপ্রিয় হিন্দি চ্যানেল স্টার প্লাসে ১ অক্টোবর থেকে ‘টুডে ইজ সান ডে’ নামে প্রচার হবে। এটি ডাবিং করা হয়েছে হিন্দি ভাষায়। বাংলাদেশের নাটকের জন্য এটি এক বিরল ঘটনা। এ বিষয় নিয়েই কথা বলেছেন তিনি।
কেমন আছেন?
এই তো আছি ভালো। তবে একটু ব্যস্ত আমার ছেলেকে নিয়ে। অসুস্থ হয়ে পড়েছিল।
এখন কী অবস্থা?
এখন ভালো, আলহামদুলিল্লাহ। বাসায় আছে।
এ ছাড়া আর কী নিয়ে ব্যস্ত?
আমি তো মিডিয়ায় কাজের বাইরে বাবার অফিসেও বসি। সেখানেও আমার বেশ ব্যস্ত সময় কাটে।
সম্প্রতি কলকাতায় গিয়েছিলেন আমন্ত্রণে। কেমন হলো অনুষ্ঠান?
ভালো ছিল।
আপনার একটি গান প্রকাশ করেছে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেল। স্টুডিও ভার্সন। কেমন লাগল করতে?
খুবই ভালো। কার কেমন লেগেছে, জানি না। অনেক দিন পর কোনো গান গেয়ে আনন্দ পেয়েছি। এটি অনেক বড় বিষয় ছিল আমার জন্য।
শ্রোতার সাড়া কেমন?
খুবই ভালো। গানটি নিয়ে ফেসবুকেও বেশ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে শ্রোতা। হয়তো ভালো লেগেছে বলেই।
হুমায়ূন আহমেদের একটি নাটক তো হিন্দিতে ডাব করে স্টার প্লাসে প্রচার হবে- বিষয়টিকে কেমনভাবে দেখছেন?
আমার জন্য, একজন হুমায়ূনভক্ত হিসেবে এটি খুবই খুশির খবর। আর হুমায়ূন আহমেদ অবশ্যই বিশ্বজনীন হওয়ার মতো লেখক। তার সাহিত্য, উপন্যাস অনেক ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তাকে নিয়ে অনেক দেশের টিভি চ্যানেলে ডকুমেন্টারি প্রচার করা হয়েছে। তার নাটকও ছড়িয়ে পড়ছে- এটি অবশ্যই আনন্দের সংবাদ।
প্রচারের বিষয়টি কেমন?
স্টার প্লাসের মাধ্যমে ওই নাটকটি একসঙ্গে ১৫০টি দেশে প্রচার করা হবে। বিশ্বের কোটি কোটি হিন্দি ভাষাভাষীর মানুষসহ আমাদের দেশের মানুষও আবার এটি দেখবে। এটিই বড় বিয়ষ।
এ পদক্ষেপ নিলেন কে?
এ ক্ষেত্রে আমি এই কৃতিত্বের পুরোটা দেব চ্যানেল আইকে। তারাই বিষয়টি সম্পূর্ণ গুছিয়ে পরে আমাকে জানিয়েছেন।
নাটকের একজন অভিনেত্রী হিসেবে আপনার অনুভূতি কেমন?
আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার জায়গা থেকে বিষয়টি একটু অন্য রকম। তিতলি-কংকাকে একটু নতুনভাবে দেখব। তারা হিন্দি ভাষায় কথা বলবে- বিষয়টি ভেবে একটু অন্য রকম লাগছে।
দর্শক কেমনভাবে নেবে বলে আপনি মনে করেন?
স্টার প্লাসে এখন যে নাটকগুলো প্রচার করা হয়, সেগুলো এই সময় নির্মাণ করা। কিন্তু ‘আজ রবিবার’ হুমায়ূন আহমেদ নির্মাণ করেছিলেন অনেক আগে। হয়তো স্টার প্লাসে প্রচারিত অন্য নাটক থেকে এটি টেকনিকালি পিছিয়ে। কিন্তু আমার বিশ্বাস, এই নাটকের গল্প ও হুমায়ূন আহমেদের স্টোরি টেলিংয়ের অসাধারণত্বই দর্শককে টেনে ধরে রাখবে।
ধন্যবাদ আপনাকে
ধন্যবাদ আপনাদেরও।


