কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে ১৭ দিনের সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার দেশে ফিরছেন। এ সফরকালে তিনি নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশন এবং মন্ট্রিলে গ্লোবাল ফান্ড মিটিংয়ে যোগ দেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বিশাল সংবর্ধনার আয়োজন করেছে আওয়ামী লীগ। দলের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি।
বেশ কয়েকদিন ধরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সফল করার জন্য ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, পার্শ্ববর্তী জেলার এমপি, সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনসহ জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করে সার্বিক নির্দেশনা পৌঁছে দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে স্মরণকালের সংবর্ধনা দেয়ার জন্য এ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে দলটি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানো মাত্রই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রথমে ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হবে। এছাড়া বিমানবন্দর থেকে গণভবন পর্যন্ত রাস্তার দুইপাশে নেতাকর্মীরা ফুল হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সফল করার জন্য হযরত শাহজালাল (রা.) আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে খিলক্ষেত, কুড়িল ফ্লাইওভার, হোটেল রেডিসন, কাকলীর মোড়, বনানী, জাহাঙ্গীর গেট, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বিজয় স্মরণী, সামরিক জাদুঘর জাতীয় সংসদ ভবন মোড় ও গণভবন পর্যন্ত অন্তত ১৫টি স্পটে জোট ও দলের কেন্দ্রীয় নেতা, মন্ত্রী-এমপি, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগসহ সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতারা অবস্থান করবেন।
প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দর থেকে গাড়িতে যাওয়ার সময় রাস্তার দুইপাশে দাঁড়িয়ে থাকা নেতাকর্মীরা তাকে ফুল ছিটিয়ে সংবর্ধনা দেবেন।
জাতিসংঘের ৭১তম অধিবেশনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাষণ প্রদান করেন। তিনি জাতিসংঘ পদক ‘প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ ও ‘এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ডে’ ভূষিত হন।
এই বিরল সম্মান লাভের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় আওয়ামী লীগ।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সফল করার জন্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আজ আওয়ামী লীগ, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের প্রতিটি থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন, সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহের নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের জনগণকে যথাসময়ে এই অভ্যর্থনা কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানান।


