ঠোঁটে লিপস্টিক ও গায়ে আইসিউইউ গাউন। পেছনে নাকে-মুখে নল লাগানো অচেতন খাদিজা বেগম। খাদিজাকে দেখতে গিয়ে তোলা ছবি (সেলফি) বুধবার সন্ধ্যে ৭টার দিকে নিজের ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করেন সাংসদ সাবিনা আক্তার তুহিন। সঙ্গে যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ অপু উকিলসহ আরেকজন নারী।
আইসিইউ এর মতো স্পর্শকাতর জায়গায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা এক নারীর পাশে সরকার দলীয় নারী নেত্রীদের এমন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
খাদিজার ওপর নৃশংসতায় ক্ষুব্ধ মানুষ তাঁদের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন, ভর্ৎসনা করেছেন।
এ ব্যাপারে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সাবিনা আক্তার তুহিনের ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। আর অপু উকিল ফোন ধরেননি। তিনি মোবাইলে এসএমএসেরও জবাব দেননি।
এদিকে সংকটাপন্ন অবস্থায় খাদিজা এখন শুয়ে আছেন হাসপাতালের বিছানায়। সিলেটে ছাত্রলীগ নেতার হামলার শিকার খাদিজা বেগমের দ্বিতীয় দফা অস্ত্রোপচার হয়েছে মঙ্গলবার রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে।
নিউরোসার্জারি বিভাগের জ্যেষ্ঠ পরামর্শক রেজাউস সাত্তারের অধীনে তাঁর চিকিৎসা চলছে। রেজাউস সাত্তার গতকাল সন্ধ্যায় বলেন, ‘আমরা খুব সংকটাপন্ন অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে রিসিভ করেছি। এখন ইলেকটিভ ভেন্টিলেশনে আছেন (লাইফ সাপোর্ট)। তাঁর মাথায় ও দুই হাতে অসংখ্য কোপের ক্ষত। খুব জটিল অস্ত্রোপচার হয়েছে খাদিজার। এ ধরনের রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ৫ শতাংশ।


