বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

অনুপযুক্ত প্রযুক্তিতে হচ্ছে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র

Sultana-Kamal420140904153337রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র একটি দ্বিতীয় শ্রেণীর বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট উল্লেখ করে সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটির (সুরজাক) পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই বিদ্যুৎ প্ল্যান্টে রয়েছে সেকেলে ও অনুপযুক্ত প্রযুক্তি। এতে প্রস্তাবিত নাইট্রাস অক্সাইড (নক্স) নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনাটি ৩০ বছরের পুরাতন কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো। অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এই স্থাপনা বাংলাদেশকে একটি ‘ফাঁকা পকেট’ পরিণত করবে এবং এ থেকে দেশ আর মুক্তি পাবেনা।

আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে শুক্রবার (০৭ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্ট ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি। সংবাদ সম্মেলনে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র বিষয় মূল্যায়নের জন্য সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটি নিয়োজিত বিশেষজ্ঞদের প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনের বিষয়ে সুরজাক’র আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল জানান, প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে প্রকল্পের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যে দরপত্র দাখিল করা হয়েছে তার ভিত্তিতে। নিরপেক্ষ ও নির্মোহ অর্থনৈতিক, বায়ু দূষণ প্রশমন প্রযুক্তি, পানি দূষণ, সমুদ্রের পানি বৃদ্ধি, ভূমি ধ্বস, ভূমিকম্প, কয়লা জমা করার পুকুর ও কয়লার ছাই বিষয়ে প্রকৃতি বিশেষজ্ঞদের প্রতিবেদন তৈরিতে যুক্ত করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে সুলতানা কামাল বলেন, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্ষেত্রে ভূমিকম্প ও প্লাবন ঝুঁকি পুরোপুরি বিবেচনায় রাখা হয়নি। ফলে প্রকল্পের চারপাশের এসব দূর্যোগ থেকে জলাশয়ে ভারী ধাতুসমূহের দূষণ ঘটতে পারে। প্রস্তাবিত রামপাল প্রকল্প ‘স্টট অব দি আর্ট’ বা সুমান সম্পন্ন নয়। এটি পর্যাপ্ত বায়ু দূষণ মোকাবিলার ব্যবস্থাপসম্পন্ন নয়। এ ধরণের যন্ত্রপাতি কোন উন্নত দেশে ব্যবহারের জন্য কোনদিনই অনুমতি পাবে না।’

আরও পড়ুন