বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

ছাত্রকে বলাৎকারে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

ছাত্রকে বলাৎকারে মাদ্রাসা শিক্ষক আটকমাদ্রাসার এক কিশোর ছাত্রকে বলাৎকারের দায়ে আটক হলেন ওই মাদ্রাসার হেড মাস্টার।

কক্সবাজারের চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ছড়ারকুল আদর্শ ইসলামী একাডেমি কাম হেফজখানার প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অবশেষে এক কিশোরকে বলাৎকারের অভিযোগে ফেঁসে গেলেন তিনি।

স্থানীয় জনতা আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে শিক্ষক জামাল উদ্দিনকে।

স্থানীয় লোকজন জানায়, ফাঁসিয়াখালীর গাবতলী বাজার এলাকার বাসিন্দা হেফজখানার শেষ পর্যায়ের ছাত্র কিশোর নয়ন (ছদ্মনাম, ১৪)। মা-বাবা চট্টগ্রামে বাস করায় হেফজখানায় থেকে পড়ালেখা করছে সে। নিকটস্থ এক বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া করতো। বলাৎকারের শিকার কিশোর (১৪) ওই মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র।

গত শনিবার রাতে ওই ছাত্রকে শিক্ষক জামাল উদ্দিন তার কক্ষে ডেকে নিয়ে বলাৎকার করেন। গতকাল রোববার ওই ছাত্র ঘটনাটি স্থানীয় অভিভাবককে জানালে ওই অভিভাবক ছাত্রকে নিয়ে চট্টগ্রামে অবস্থানরত তার মা-বাবার কাছে নিয়ে যায়। বিষয়টি মা-বাবাকে জানালে তারা ছেলেকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসা দেন।

আজ সকালে ছেলেটির মা-বাবা মাদ্রাসায় গিয়ে কয়েকজন অভিভাবককে বিষয়টি জানান। এরপর স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে ওই শিক্ষককে গণধোলাই দেন। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

তবে প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন দাবি করেন, তিনি ওই ছাত্রকে বলাৎকার করেন নি। স্থানীয় একটি চক্র তাকে মাদ্রাসা থেকে তাড়াতে ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল ইসলাম খান বলেন, ‘ওই ছাত্রের পরিবার থানায় একটি লিখিত এজাহার দিয়েছেন। মাদ্রাসা শিক্ষক জামাল উদ্দিনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার শিকার কিশোর ছাত্রকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাকে আগামীকাল মঙ্গলবার কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন