আগামী ২২-২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাজুড়ে আলোকসজ্জা, ব্যানার-ফেস্টুনসহ নানা সাজসজ্জায় এবার বেশ আলোচিত। সম্মেলনকে স্মরণীয় করে রাখতে অতিথিদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থায় কমতি রাখছে না ক্ষমতাসীন দলটি। সম্মেলনে বিদেশি অতিথি, রাজনৈতিক কর্মী, অন্যান্য অতিথিসহ ৫০ হাজার লোকের জন্য খাবারের মেন্যু হিসেবে রাখা হয়েছে কাচ্চি বিরিয়ানি ও মোরগ পোলাও।
সম্মেলনে উদ্বোধনী দিন দুপুর ও রাত এবং সম্মেলনের সমাপনী দিন দুপুর বেলাসহ মোট তিনবেলা খাওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।
আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির ২০তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত খাদ্য উপকমিটির সভায় আজ সোমবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
খাদ্য উপকমিটির আহ্বায়ক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, এ আয়োজনে আলাদা করে কোনো খাদ্যের ব্যবস্থা থাকবে না এবং বিদেশিদের জন্যও আলাদা করে কোনো খাবারের ব্যবস্থা করা হবে না। তিনি বলেন, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর-দক্ষিণের জন্য দুটি বুথ থাকবে। এ ছাড়া প্রত্যেক বিভাগের জন্য আলাদা করে খাদ্য সরবরাহের ব্যবস্থা থাকবে। বিদেশি প্রতিনিধিসহ অন্য অতিথিদের জন্য ১৫টি বুথ থাকবে। প্রতিটি বুথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ২০ জন সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক ১০০ জন এবং দুজন করে কেন্দ্রীয় নেতা থাকবেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী আরও বলেন, সম্মেলনের উদ্বোধনী দিন ২২ অক্টোবর দুপুর ও রাত এবং পরের দিন ২৩ অক্টোবর দুপুরে অর্থাৎ মোট তিনবেলা খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। সময় ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে যদি পরিকল্পনায় কোনো পরিবর্তন আনার প্রয়োজন হয়, তাহলে সেটাও করা হবে।
দুই দিনের সম্মেলনে খাবারের মেন্যুর বিষয়ে খাদ্য উপকমিটির সদস্যসচিব খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, প্রথম দিন দুপুরে মোরগ পোলাও দিয়ে অতিথিদের আপ্যায়ন করা হবে। ওই দিন রাতে থাকবে কাচ্চি বিরিয়ানি। আর পরদিন দুপুরের খাবারের তালিকায়ও থাকবে মোরগ পোলাও। আর প্রতি বেলা খাবারের সঙ্গে পরিবেশন করা হবে বোতলজাত পানি, কোমল পানীয়, ফিরনি, পান এবং টিস্যু পেপার। এর বাইরে দুটি চা ও কফি কর্নার থাকবে।
দেশের সবচেয়ে পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।


