ঘরে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছেলে-মেয়ে রেখে স্কুলছাত্রীকে ফের বিয়ের চেষ্টার অভিযোগে চট্টগ্রামে পঞ্চাশোর্ধ্ব এক ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. রফিক (৫৫) আগে একবার একই অপরাধ করে অর্থদণ্ড দিয়ে ছাড়া পেয়েছিলেন।
রফিক নগরীর চান্দগাঁওয়ের বাসিন্দা হলেও তার বাড়ি রাউজান উপজেলার কচুখাইন গ্রামে।
গত ১৭ অক্টোবর এক স্কুলছাত্রীকে বিয়ের চেষ্টার অভিযোগে রফিকের সঙ্গে ওই ছাত্রীর বাবা-মাকেও জরিমানা করা হয়েছিল। এবার ওই ছাত্রী ও তার মাকেও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার তারা চান্দগাঁওয়ে এসে আবার বিয়ের চেষ্টা করে। খবর পেয়ে রাতে তাদেরকে আটক করা হয়।
শনিবার বোয়ালখালী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী মাহবুবুল আলম তিনজনকে সাজা দেন।
ইউএনও জানান, “স্কুলছাত্রীকে বিয়ে করার চেষ্টায় গত ১৭ অক্টোবর রফিক ও ওই ছাত্রীর মা-বাবাকে এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছিল। শনিবার ভ্রাম্যমাণ আদালতে রফিককে এক হাজার টাকা জরিমানা ও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং স্কুলছাত্রী ও তার মাকে এক হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেয়া হয়।”
দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকা রফিক তার আগের স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়েছেন এবং স্ত্রীর ভরণপোষণ নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। এর মধ্যে খরণদ্বীপ ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের ওই ছাত্রীকে বিয়ের করার জন্য কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
আগের স্ত্রীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১৭ অক্টোবর রফিক ও ওই স্কুলছাত্রীর বাবা-মাকে অর্থদণ্ড দিয়ে সতর্ক করেছিল ভ্রাম্যমাণ আদালত।
ইউএনও মাহবুবুল জানান, দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকা রফিকের চান্দগাঁওয়ে দুইটি ভবন আছে।
রফিকের তিন সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে, এক মেয়ে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ও ছোট মেয়ে একটি স্কুলের সপ্তম শ্রেণিতে লেখাপড়া করেন।


