বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

উইলসের রিশা হত্যা: বখাটে ওবায়দুলের বিরুদ্ধে চার্জশিট

উইলসের রিশা হত্যা: বখাটে ওবায়দুলের বিরুদ্ধে চার্জশিটরাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশা হত্যা মামলায় বখাটে ওবায়দুল হককে একমাত্র আসামি করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দিয়েছে পুলিশ।

সোমবার ঢাকার সিএমএম আদালতে অভিযোগপত্রটি দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার পুলিশ পরিদর্শক আলী হোসেন। অভিযোগপত্রে ২৬ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৪ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কাকরাইলের উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের সামনের ফুটওভারব্রিজ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় রিশাকে উদ্ধার করা হয়। ওই স্কুলের শিক্ষার্থীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। ২৮ আগস্ট সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিশার মৃত্যু হয়।

ঘটনার দিনই রিশার মা বাদী হয়ে রমনা থানায় এলিফ্যান্ট রোডের ইস্টার্ন মল্লিকা শপিং কমপ্লেক্সের দর্জির দোকানের কর্মী ওবায়দুল হককে একমাত্র আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারায় এবং দণ্ডবিধির ৩২৪/৩২৬/৩০৭ ধারায় হত্যাচেষ্টা ও গুরুতর আঘাতের অভিযোগে মামলা করেন। রিশা মারা যাওয়ার পর মামলায় ৩০২ ধারা সংযোজন করা হয়।

ঘটনার পর থেকে ওবায়দুল পলাতক ছিলেন। তাকে ধরতে ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর ও নীলফামারীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় পুলিশ। গত ৩১ আগস্ট নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারায় বাজার থেকে ওবায়দুল হককে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরের দিন ওবায়দুলের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ডের চতুর্থ দিন ৫ সেপ্টেম্বর ওবায়দুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় রিশাকে খুন করার উদ্দেশে চুরিকাঘাতের কথা স্বীকার করে ওবায়দুল হক।

ওবায়দুলের গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মিরাটঙ্গী।

সুরাইয়া আক্তার রিশার বাবার নাম রমজান আলী। তিনি ব্যবসায়ী। পুরান ঢাকায় সিদ্দিক বাজারে ১০৪ নম্বর বাড়িতে পরিবার নিয়ে থাকেন রমজান আলী।

আরও পড়ুন