রাজধানীতে গারো তরুণী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি রাফসান হোসেন রুবেল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। একবার আটকের পর পালিয়ে গিয়েও ফের ধরা পড়া রুবেল রোববার ঢাকার মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসিন আহসান চৌধুরীর কাছে জবানবন্দি দেন।
দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত জবানবন্দি নেওয়ার পর হাকিম আসামি রুবেলকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন বলে ওই আদালতের পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই মো. সেলিম জানিয়েছেন।
মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই বি এম মামুন বলেন, হেফাজতে রেখে ছয় দিন জিজ্ঞাসাবাদের পর রুবেল দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিতে রাজি হন।
এসআই সেলিম বলেন, “রুবেল গত ২৫ অক্টোবর ওই গারো তরুণীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। তবে অন্য কাউকে ধর্ষণের কথা বিচারককে বলেনি।”
রুবেলকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ জানিয়েছিল, আরও কয়েকটি ধর্ষণের ঘটনায়ও এই যুবকের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
হবু স্বামীর মেসের সামনে থেকে ওই তরুণীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের তিন দিন পর ২৮ অক্টোবর বাড্ডা থানায় রুবেলকে আসামি করে মামলা হয়।
১৭ দিন পর গত ১১ নভেম্বর বিমানবন্দর স্টেশন এলাকা থেকে রুবেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের হাতে তুলে দেয় র্যাব।
কিন্তু ১৪ নভেম্বর ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণে পুলিশের হেফাজত থেকে হাতকড়া নিয়ে পালিয়ে যান এই আসামি।
দুদিন পর বাড্ডা এলাকা থেকে তাকে ফের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর আদালতের মাধ্যমে তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়।
রুবেল উত্তর বাড্ডার মিশ্রীটোলা এলাকার মফিজ উদ্দিন ওরফে মফু মিয়ার ছেলে।
তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, ডাকাতির প্রস্তুতি, মাদকদ্রব্য ও সন্ত্রাসী ঘটনায় বাড্ডা থানায় আটটি এবং রামপুরা থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত বলে পুলিশ জানিয়েছে।


