বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচয়পত্র প্রদান

খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচয়পত্র প্রদানখেতাবপ্রাপ্ত জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে প্রথমবারের মতো পরিচয়পত্র বিতরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে বীরশ্রেষ্ঠদের পরিবারের সদস্য ও খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বীরশ্রেষ্ঠদের পরিবারের সদস্য ও অন্য খেতাবপ্রাপ্তদের সম্মানির চেক, শাল, মোবাইল ফোন-ট্যাব দেন প্রধানমন্ত্রী। যুদ্ধ ও শান্তির সময় বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য সেনাবাহিনীর পাঁচ কর্মকর্তাকে বাহিনী পদক ও ওসমানী সেবা পদক প্রদান করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী এ কে এম মোজাম্মেল হক, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মুহাম্মাদ শফিউল হক, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ ও বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধকে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ অধ্যায় অভিহিত করে বলেন, বাংলাদেশ রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করে। মুক্তিযোদ্ধারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদানের মাধ্যমে লাল-সবুজের পতাকাসহ একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছেন। এজন্য আমাদের সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ মর্যাদা প্রদর্শন ও তাদের অবদানের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে পরিচয়পত্র বিতরণ করে আজ আমি আনন্দিত।

উল্লেখ্য, খেতাবপ্রাপ্ত জীবিত মুক্তিযোদ্ধারা এ পরিচয়পত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমানে বিদেশ ভ্রমণ এবং একই এয়ারলাইন্সে জীবনে একবার হজ/ওমরাহ করার সুযোগ পাবেন। তারা বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ও ফেরিতে ভিআইপি কক্ষ ও কেবিন সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া এই পরিচয়পত্রের মাধ্যমে তারা স্বাস্থ্যসেবা এবং রেল, বিআরটিসি বাস ও ফেরিতে বিনাভাড়ায় ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।

আরও পড়ুন