দেশে ইমো, ভাইবার, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও স্কাইপের মতো ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগের কোনো মাধ্যম বন্ধ বা নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।
মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই ধরণের ‘ওভার দ্য টপ (ওটিটি)’ অ্যাপ বন্ধে বিটিআরসির উপর সরকারের কোনো প্রকার নির্দেশনা নেই।
বিটিআরসি এই ধরণের অ্যাপ বন্ধ করতে যাচ্ছে বা বন্ধের চিন্তাভাবনা করছে বলে কিছু গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘বিভ্রান্তিমূলক ও নেতিবাচক প্রচারণা’ হচ্ছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।
শুক্রবার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি এক সংবাদ সম্মেলনে জানায়, এই অ্যাপগুলোতে থাকা ভয়েস কল সুবিধার কারণে আন্তর্জাতিক ফোনকলের ব্যবসায় বাংলাদেশ মার খাচ্ছে। এজন্য তারা একটি নীতিমালা করতে যাচ্ছে।
পরে রোববার এ বিষয়ে টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, “ইমো, ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধের কোনো সিদ্ধান্ত সরকার নেয়নি, কাজেই এসব অ্যাপ বন্ধ হবে না, হচ্ছে না, হবার প্রশ্নই আসে না।”
সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে বিটিআরসি বলেছে, সংবাদ সম্মেলনে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বৈধ পথে আন্তর্জাতিক কল আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে এই ধরনের অ্যাপের ভূমিকা ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দেশে কল পরিচালনার চর্চা বা নীতি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার ভবিষ্যৎ ভাবনার কথা বলেছিলেন।
স্মার্টফোন বা ওটিটি ব্যবহার করে ভয়েস কল সুবিধা বা অ্যাপ বন্ধের কোনো প্রশ্নই সেদিন উত্থাপিত হয়নি; বন্ধের বিষয়ে কোনো মতামতও ব্যক্ত করা হয়নি বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
কোনো পত্র-পত্রিকা বা সংবাদ মাধ্যমে এসব অ্যাপ বন্ধের সংবাদও প্রচারিত হয়নি বলেও জানায় বিটিআরসি।
পরবর্তীতে কিছু কিছু সংবাদ মাধ্যম ও টকশোতে সম্পূর্ণ কল্পনাপ্রসূতভাবে এই ধরণের অ্যাপ বন্ধ করা হচ্ছে মর্মে বিটিআরসির উপর দায় চাপানো হচ্ছে এবং তা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে- যা কাম্য নয় বলে মনে করে সংস্থাটি।


