দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকার মানুষের জন্য যশোর শহরে একটি ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালু করলো ভারত। মঙ্গলবার শহরের যশোর-নড়াইল সড়কের নীলগঞ্জ সুপারীবাগান এলাকায় এ কার্যক্রম শুরু হয়।
যশোর সেন্টারের ইনচার্জ মফিজুর রহমান বলেন, যশোরের ব্যবসায়ীসহ ভারত গমনকারী নানা শ্রেণির ‘দীর্ঘদিনের দাবির’ কারণে এ প্রসেসিং সেন্টারটি চালু হয়েছে। মঙ্গলবার সাতশ আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। সাতদিন পর আজকের আবেদনকারীদের ভিসাসহ পাসপোর্ট ফেরত দেওয়া হবে।
প্রথমদিনেই কেন্দ্রের সামনে ভিসা আবেদনকারীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এখানে ভিসা সেন্টার হওয়ার কারণে যশোর অঞ্চলের মানুষের ভারতীয় ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এর আগে যশোর অঞ্চলের বাসিন্দাদের ভারতীয় ভিসার জন্য খুলনায় যেতে হতো। ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ইমপোর্ট এক্সপোর্ট সাব-কমিটির চেয়ারম্যান সভাপতি মতিউর রহমান বলেন, ভারত-বাংলাদেশে যাতায়াতের ক্ষেত্রে ভিসাপ্রাপ্তির জন্য মানুষ বহু দুর্ভোগের শিকার হতো। সেই দুর্ভোগ কমাতে যশোরের এই ভিসা প্রসেসিং সেন্টার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
যশোর কেন্দ্রে ইউক্যাশের মাধ্যমে ভিসা আবেদনের টাকা জমা দেওয়া যাবে। টুরিস্ট ভিসার আবেদনের ক্ষেত্রে ই-টোকেন লাগবে। তবে ৬৫ বছরের উপরের নাগরিকদের ক্ষেত্রে ই-টোকেন লাগবে না। এছাড়া চিকিৎসার জন্য ও ব্যবসায়িক কাজে ভিসা প্রত্যাশী, সাংবাদিক ও ছাত্রের জন্যও ই-টোকেন দরকার হবে না।
স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার খুলনা শাখার ব্যবস্থাপক মানিক চক্রবর্তী বলেন, খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার বাসিন্দারা রাজশাহী সেন্টারে আবেদন জমা ও ভিসা গ্রহণ করতে পারেন। বাকি ৭টি জেলার জনগণের সুবিধার্তে কর্তৃপক্ষ যশোরে সেন্টার স্থাপন করেছে। এটি খুলনা বিভাগের দ্বিতীয় সেন্টার হিসেবে বিবেচিত।
প্রসঙ্গত, বর্তমানে ঢাকা মহানগরীর গুলশান, ধানমণ্ডি, উত্তরা ও মতিঝিলে ভারতের ভিসা আবেদন কেন্দ্র রয়েছে। এছাড়াও বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনায় স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া আগেই ভারতের ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালু রয়েছে।



Leave a Reply