বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

জনগণের ধাওয়ায় পালিয়ে গেলেন ইমরান সরকার

কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা: কুড়িগ্রাম রৌমারী উপজেলার জনগণের ধাওয়ার ভয়ে পালালো ড. ইমরান এইচ সরকার।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রৌমারী উপজেলা ডাক বাংলোয় গেলে জনগণ উত্তজিত হয়ে ডাক বাংলো ঘেরাও করতে গেলে ইমরান এইচ সরকার সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কটুক্তি করায় রৌমারীর জনগণ তাকে রৌমারী থেকে অবাঞ্চিত ও ডুকতে নিষেধ করে তারপরেও সেদিন রৌমারীর ডাক বাংলোয় প্রবেশের সময় জনগন তা ঘেরাও করতে যায়। ধাওয়ার কথা ইমরান আগে জানতে পেরে ডাক বাংলো থেকে পালিয়ে যায়।

রৌমারীবাসীরা বলেন, ইমরান সরকারের দাদা ছিলেন বাংলার শত্রু ইমরানও বাংলার শত্রু তাই আমরা রৌমারীবাসী তাকে ঢুকতে দিবোনা তারপরেও সে ঢুকেছিলো কিন্তু তার কপাল ভালো সে পালাতে পেরেছে না হলে তার কপালে শনির দশা ছিলো।

রৌমারীর ব্যবসায়ী সাবের আলী জানান, রৌমারীর মত মুক্ত অঞ্চলে ইমরানকে দেখতে চাইনা সে রৌমারীর কুলাংঙ্গার তার ছায়াও রৌমারীতে পরতে দিবো না।

বরাই কান্দির অধিবাসী রহমত আলী বলেন, ইমরান সরকারকে এর আগে রৌমারীতে আসতে নিষেধ করলেও সে আসে। তাই জনগণ উত্তজিত হয়ে তাকে মারতে যায় কিন্তু জনগণ ডাক বাংলোতে গিয়ে দেখে সে পালিয়েছে।

এদিকে ইমরান সরকারের রৌমারীতে আসা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে চলছে হাসা হাসি, হাস্যরস। মিজানুর রহমান নামে একজন তার ফেসবুকে পোষ্ট দিয়ে বলেছেন, দেখলাম কিন্তু বুঝলাম না শাহবাগীর গাড়ীর মহড়া। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা কিছু কর্মী এই শাহবাগীর মটর শোভা যাত্রায় শোভা বর্ধন করতেছে। তারা কি জানে না এই ইমরান সরকার জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করেছে। তারা কি জানে না বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে তার বিরুদ্ধে রেড এলার্ট জারি করেছে। আর এই শাহবাগীকে চুমু দিয়ে তার লেজুরবৃত্তি করতেছে। আবার কেউ কেউ গর্বের সাথে ফেসবুকে ফলাও করে প্রচার করছে।হায়রে কায়েমি স্বার্থবাদীরা। তাদের জানা উচিত কট্টর ডান ও বাম পন্থি নাস্তিকরাই দেশ ও জাতীর শত্রু।

আরও পড়ুন