মঙ্গলবার ৩ নভেম্বর ২০২৬

সাবধান, ঢাবি ক্যাম্পাসে যাওয়ার আগে আরও একবার ভাবুন!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা: মটরসাইকেল নিয়ে আসা কয়েকজনের হাতে তিন ছাত্র প্রহৃত হওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থানরত ‘বহিরাগতদের’ ঢালাওভাবে মারধর করেছে একদল ছাত্রলীগকর্মী।

সন্ধ্যায় লাঠি-রড নিয়ে ক্যাম্পাসের ভিসি চত্বর, ফুলার রোড, শহীদ মিনার ও কলাভবন এলাকায় মারধরকারী ২০-২৫ জনের দলটি পাঁচটি মটরসাইকেলও ভাংচুর করেছে।

এ ঘটনায় জড়িতরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসিম উদ্দীন হল, বিজয় একাত্তর হল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলসহ আরও কয়েকটি হল শাখা ছাত্রলীগের কর্মী বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

হামলায় বিভিন্ন হলের ছাত্ররা ছিল জানিয়ে বঙ্গবন্ধু হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন রহমান বলেন, “এগুলো কেউ আমার পরিচিত ছিল না, সবগুলো প্রথম বর্ষের ছাত্র মনে হয়েছে। আমি নিজেই প্রক্টর স্যারকে ফোন দিয়ে বলেছি, কিছু ছেলে ক্যাম্পাসে মারধর করছে। প্রক্টর স্যার আসলে তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেছি।”

 

ঢাকা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিভিন্ন উৎসব-অনুষ্ঠানে ভিড় করেন নগরবাসী। এছাড়া দিনের কর্মব্যস্ততা শেষে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় বন্ধুদের সঙ্গে মিলিত হন অনেকে। নিয়মিত ক্যাম্পাসজুড়ে চলে অবসরের এই আড্ডা।

প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক শিক্ষার্থী ও পুলিশ জানায়, বেপরোয়া গতিতে মটরসাইকেল চালানো নিয়ে পুরান ঢাকার কয়েকজনের সঙ্গে ভিসি চত্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন ছাত্রের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে বহিরাগতরা তিন ছাত্রকে মারধর করে চলে যায়, পরে বিভিন্ন হল থেকে আসা ছাত্ররা জড়ো হয়ে ফুলার রোড ও শহীদ মিনার এলাকায় অবস্থানরত বহিরাগতদের মারধর করে।

শহীদ মিনার এলাকায় থাকা পাঁচটি মটরসাইকেলে আগুন দেয় তারা। সেখানে হামলা শেষে কলাভবনের সামনে এসে বটতলা ও এর আশপাশে অবস্থানকারীদের উপর চড়াও হয় তারা। পরে আবার ভিসি চত্বর হয়ে ফুলার রোডের দিকে এগোলে প্রক্টর এসে তাদের থামান।

নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক শাহব আলী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক আমজাদ আলীও ঘটনা সম্পর্কে একই বিবরণ দেন।

তবে এ ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না সে বিষয়ে তারা কিছু বলেননি।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *