স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট:
তিনি ছুটিতে। আফগানিস্তানের সঙ্গে টেস্ট আর তিন জাতি টি-টোয়েন্টি আসরের প্রায় পুরো সময় দেশের বাইরে অবকাশে ছিলেন। দেশে ফিরে গত পরশু (২২ সেপ্টেম্বর) শেরে বাংলার একাডেমি মাঠে ব্যাট হাতে প্রথম দেখা মিলেছে তামিম ইকবালের। কিন্তু কাল থেকে হঠাৎ আলোচনায় দেশসেরা ওপেনার।
তিন জাতি টি-টোয়েন্টি আসরের ফাইনালের আগে তাকে নিয়ে রীতিমত ফিসফাস শুরু। নেতিবাচক কিছু নয়। তামিমের ফাইনালে আফগানিস্তানের সঙ্গে খেলা নিয়েই কথাবার্তা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মিডিয়ার এমন খবর চাউর হয়েছে যে, তামিমকে নাকি ফাইনালে পেতে চেয়েছে বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট ও নির্বাচকরা।
প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু নাকি তামিমকে ফাইনাল খেলার অনুরোধ করেছিলেন। বলেছিলেন ফাইনাল খেলার জন্য তৈরি কি না? প্রধান নির্বাচক ও তামিমদের খান পরিবারের খুব ঘনিষ্ঠজন নান্নু কি সত্যিই তামিমকে ফাইনাল খেলার প্রস্তাব দিয়েছিলেন? ঘটনা আসলে কী?
তা জানতেই আজ দুপুরে দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল ও প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নুর সাথে যোগাযোগ করা হলে দুজনই জানান, কথা হয়েছে, হতেই পারে। তবে সেটা কোন আনুষ্ঠানিক কথোপকথন নয়। অফিসিয়াল প্রস্তাবও নয়। নেহায়েত অনানুষ্ঠানিক কথাবার্তার একটা অংশ।
তামিমের কথা, ‘হ্যাঁ, আমার সঙ্গে কথা হয়েছে। তবে আমাকে কোন আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়া হয়নি। আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়ার প্রশ্নও আসে না। আমি তো প্রস্তুতি পর্ব ,কন্ডিশনিং ক্যাম্প, ব্যাটিং অনুশীলন- কিছুই করিনি। দেশেই ফিরেছি কদিন আগে। ব্যাট হাতে প্র্যাকটিস করেছি দুদিনও হয়নি। তাই খেলার প্রশ্নও আসে না। আমাকে অফিসিয়ালি ফাইনাল খেলার প্রস্তাব দেয়ার কথাও না।’
তিনি আরও বলেন, ‘এমনিতে সৌজন্যতা-কুশল বিনিময়ের পর অনানুষ্ঠানিক কথোপকথনে নান্নু চাচ্চু (মিনহাজুল আবেদিন নান্নু) জানতে চেয়েছিলেন কেমন আছি? খেলার মত অবস্থায় আছি কি না? তবে ফাইনাল খেলবো কি না? খেলার অবস্থায় আছি কি না? এমন কথা বলেননি।’
একই কথা নান্নুর মুখেও। মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান নির্বাচক জাগো নিউজকে বলেন, ‘নাহ, ফাইনালে খেলার প্রস্তাব দেইনি। তবে ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় জানতে চেয়েছিলাম তার অবস্থা কেমন? খেলার অবস্থায় আছে কি না? তার মানেই যে তাকে খেলাতে চেয়েছিলাম, খেলানোর কথা ভেবে তাকে প্রস্তাব দিয়েছি- এমন নয়।’



Leave a Reply