মঙ্গলবার ৩ নভেম্বর ২০২৬

প্রতি রাতেই সাবিনার জন্য কাঁদেন ‘গোলমেশিন’ তহুরা

সাবিনা ইয়াসমিন, নারী ফুটবলের অকাশ থেকে অকালে ঝড়ে যাওয়া এক তারার নাম। যে সময়টায় তিনি জানান দিচ্ছিলেন বয়সভিত্তিক ফুটবলে দেশের জার্সি গায়ে জড়ানোর, ঠিক সেই সময় সবাইকে কাঁদিয়ে ওপারে চলে যান কলসিন্দুরের এই মেয়ে।

সাবিনার সঙ্গে হরিহত আত্মা ছিলেন নারী ফুটবল দলেন অন্যতম তারকা তহুরা খাতুন। বন্ধু চলে যাওয়ার দুই বছর হয়ে গেলেও যাকে এক মুহূর্তের জন্যও ভুলতে পারেননি তিনি। আজো প্রতি রাতেই বন্ধুর জন্য কাঁদেন তহুরা।

২০১৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন সাবিনা। অনূর্ধ্ব-১৪ দলের ক্যাম্পে ছিলেন। ছুটিতে বাড়ি গিয়ে আক্রান্ত হন জ্বরে। ছুটে শেষে ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় আসার কথা থাকলেও আগেরই দিনই মারা যান সাবিনা।

বৃহস্পতিবার সাবিনাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন তহুরা। লেখেন, ‘দেখতে দেখতে ২ বছর হয়ে গেল। আমার কাছে মনে হয় তুই এখনো বেঁচে আছিস। যতই হাসিখুসি থাকিনা কেন এমন একটা দিন নেই যে তর কথা মনে পরেনা আমার।’

তহুরা আরো লিখেন, ‘পরিবারের সভাই বলে সাবিনার মতো আর কেউ হবেনা। তর মতো ফ্রেন্ড অনেক লাগেনা, একটাই যথেষ্ট হয়। সেই দিন আর কোন দিন ফিরে আসবেনা। আমার জীবনে আমি তকে অনেক অনেক মিস করি। সবাই সাবিনার জন্য দোয়া করবেন, সে যেন না ফেরার দেশে ভালো থাকে।’

সাবিনার চলে যাওয়ার পর অনেকটাই ভেঙে পড়েছিলেন তহুরা। দেশ রূপান্তরকে তহুরা বললেন, সাবিনা মারা যাওয়ার পর এক মাস ক্যাম্পে ফেরেননি তিনি। ময়মনসিংহের কলসিন্দুরে তাদের বাড়িও পাশাপাশি। সাবিনার এভাবে চলে যাওয়া কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি তহুরা।

নারী ফুটবলে ‘গোলমেশিন’ হিসেবে খ্যাত তহুরা। ক’দিন আগে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবলের চূড়ান্ত পর্বে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করেন তহুরা। গোল করা, ফুটবল মাঠে সাফল্য পাওয়ার দিনগুলোতে সাবিনাকে সবচেয়ে বেশি মিস করেন তহুরা।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *