মঙ্গলবার ৩ নভেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন ভাষণ: অভিবাসন নিয়ে ইউরোপের সমালোচনায় ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসন নিয়ে ইউরোপের দেশগুলোর কঠোর সমালোচনা করেছেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেছেন, দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর সাত মাসে সাতটি যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছেন। ভারত-পাকিস্তান, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ বন্ধ করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, আর কোনো প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রী– এমনকি কোনো দেশ এর ধারেকাছেও নেই। মাত্র সাত মাসে তিনি এটা করেছেন। দুঃখের সুরে তিনি বলেন, জাতিসংঘ এটা করতে পারছে না। তারা কোনো ধরনের সহযোগিতাও করছে না।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন। ওই অধিবেশনে বিশ্বনেতারা অংশ নিয়েছেন। বক্তব্য দিতে গিয়ে ট্রাম্প দেখেন তাঁর টেলিপ্রম্পটার কাজ করছে না। এ নিয়ে হাস্যরস করে তিনি বলেন, তাহলে যা বলব, তা মন থেকেই বলব।

দ্য গার্ডিয়ান অনলাইন জানায়, যেসব দেশ রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিনছে, ট্রাম্প তাদের কঠোর সমালোচনা করেন। ভারত, চীন ও কয়েকটি ন্যাটো দেশের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা নিজেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অর্থায়ন করছে। তিনি বলেন, রাশিয়া যদি শেষ পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত না হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর কঠোর শুল্ক আরোপ করবে।

শুরুতে তিনি দেশের অভ্যন্তরীণ সংকট নিয়ে কথা বলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ বলে দাবি করেন। যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সীমান্ত রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণযুগ। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে অবৈধ অভিবাসীদের প্রবেশ প্রায় শূন্য। বক্তব্য একেবারে স্পষ্ট– অবৈধভাবে আমাদের দেশে এলে জেল অথবা যেখান থেকে এসেছ সেখানে যেতে হবে।’

অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে এখন সবাই বেশি সম্মান করে জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ নানা বিষয়ে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। তাঁর মধ্যপ্রাচ্য সফরের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘উপসাগরীয় অঞ্চলে সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত আমাদের বন্ধু দেশ। আমি মনে করি, আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ভালো হয়েছে। তিনি যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ বলে বর্ণনা করেন।’

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *