প্রচ্ছদ / অনলাইন ইনকাম, অন্যান্য, অর্থ-বাণিজ্য, অর্থনীতি, অস্ট্রেলিয়া, আওয়ামী লীগ, আন্তর্জাতিক, আফ্রিকা, আবহাওয়া, আমেরিকা, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ইউরোপ, ইতিহাস-ঐতিহ্য, ইসলামিক গল্প, এশিয়া, করোনা আপডেট, কর্পোরেট, কৃষি, ক্রিকেট, খুলনা-বিভাগ, খেলাধুলা, গ্রাফিক্স ডিজাইন, চট্টগ্রাম বিভাগ, চাকরি, জাতীয়, টালিউড, ট্রেন্ডিং নিউজ, ডিজিটাল মার্কেটিং, ঢাকা বিভাগ, ঢালিউড, তথ্য-প্রযুক্তি, ধর্ম, নাটক, নারী ও শিশু, প্রবাস, ফুটবল, ফ্রিল্যান্সিং, বরিশাল বিভাগ, বলিউড, বাংলাদেশ, বিএনপি, বিনোদন, ভ্রমণ, মধ্যপ্রাচ্য, মুক্তমত, রংপুর বিভাগ, রাজধানী, রাজনীতি, রাজশাহী বিভাগ, লাইফস্টাইল, শিল্প-সাহিত্য, শেয়ার বাজার, শ্রদ্ধাঞ্জলি, সাক্ষাৎকার, সারাদেশ, সাহিত্য, সিনেমা, সিলেট বিভাগ, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, হলিউড

রাসেলস ভাইপার: গামবুট পেয়ে খুশি ফরিদপুরের চরাঞ্চলের কৃষকরা

  • আপডেট সময় : ০৫:৩৮:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪ ১৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, চরাঞ্চলের কোনো কৃষককে সাপে কাটলে দ্রুত হাসপাতালে আনতে স্পিডবোটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

রাসেলস ভাইপারের উপদ্রব নিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ফরিদপুরের চরাঞ্চলের কৃষক-কৃষাণীদের মধ্যে গামবুট বিতরণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে চাষিরা খুবই খুশি।

রোববার বিকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের চত্বরে ফরিদপুর সদর উপজেলার চরাঞ্চলখ্যাত নর্থচ্যানেল ও ডিক্রিরচর ইউনিয়নের দুই শতাধিক কৃষক-কৃষাণীর হাতে গামবুট তুলে দেন জেলা প্রশাসক মো. কামরুল আহসান তালুকদার।

গামবুট নিতে আসা চাষী রাশেদ শেখ বলেন, “এতোদিন সাপের ভয়ে ক্ষেতে যেতে পারিনি। অনেক ফসল ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়া শ্রমিকরাও ভয়ে ক্ষেতে নামছিল না। গামবুট পেয়েছি, এখন নিশ্চিন্তে ক্ষেতে যেতে পারবো এবং ফসল তুলে ঘরে আনতে পারবো।

রোকেয়া বেগম বলেন, “নদীর পাশেই আমাদের বাড়ি। সাপের ভয়ে ঘর থেকে বের হতে পারি না। জেলা প্রশাসক স্যার আমাদের গামবুট দিয়েছেন, এখন গামবুট পরে নিশ্চিন্তে ক্ষেতে যেতে পারবো। চলাচলেও কোনো সমস্যা হবে না।”

তিনি আরো বলেন, “স্বামী-সন্তানরা মিলে আমরা সবাই তিলক্ষেতে কাজ করি। কিন্তু সাপের ভয়ে এখনো ক্ষেত থেকে তিল তুলতে পারিনি। ফলে ক্ষেতের মধ্যেই তিল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তবে এখন ক্ষেতে যেতে কোনো সমস্যা হবে না।”

আরেক চাষী নজরুল ইসলাম বলেন, “জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কিছুটা বাদাম তুলেছি। কৃষি শ্রমিকরাও ক্ষেতে যেতে চায় না। তাই নিজেদের ঝুঁকি নিয়ে ফসল তুলতে হচ্ছে। গামবুট পেয়ে আমরা অনেক খুশি।”

জানা যায়, ফরিদপুরের চরাঞ্চলে রাসেলস ভাইপার সাপের উপদ্রব বেড়েছে। সাপের কামড়ে একাধিক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে এবং অনেকেই চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন। ফলে আতঙ্কে কৃষক-কৃষি শ্রমিকরা ক্ষেতে যাচ্ছে না, এতে ক্ষেতেই অনেক ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

এ কারণে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে চরাঞ্চলের চাষীদের মধ্যে গামবুট বিতরণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ইউনিয়নের কৃষকদের মধ্যে তা বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Categories

রাসেলস ভাইপার: গামবুট পেয়ে খুশি ফরিদপুরের চরাঞ্চলের কৃষকরা

আপডেট সময় : ০৫:৩৮:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪

জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, চরাঞ্চলের কোনো কৃষককে সাপে কাটলে দ্রুত হাসপাতালে আনতে স্পিডবোটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

রাসেলস ভাইপারের উপদ্রব নিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ফরিদপুরের চরাঞ্চলের কৃষক-কৃষাণীদের মধ্যে গামবুট বিতরণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে চাষিরা খুবই খুশি।

রোববার বিকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের চত্বরে ফরিদপুর সদর উপজেলার চরাঞ্চলখ্যাত নর্থচ্যানেল ও ডিক্রিরচর ইউনিয়নের দুই শতাধিক কৃষক-কৃষাণীর হাতে গামবুট তুলে দেন জেলা প্রশাসক মো. কামরুল আহসান তালুকদার।

গামবুট নিতে আসা চাষী রাশেদ শেখ বলেন, “এতোদিন সাপের ভয়ে ক্ষেতে যেতে পারিনি। অনেক ফসল ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়া শ্রমিকরাও ভয়ে ক্ষেতে নামছিল না। গামবুট পেয়েছি, এখন নিশ্চিন্তে ক্ষেতে যেতে পারবো এবং ফসল তুলে ঘরে আনতে পারবো।

রোকেয়া বেগম বলেন, “নদীর পাশেই আমাদের বাড়ি। সাপের ভয়ে ঘর থেকে বের হতে পারি না। জেলা প্রশাসক স্যার আমাদের গামবুট দিয়েছেন, এখন গামবুট পরে নিশ্চিন্তে ক্ষেতে যেতে পারবো। চলাচলেও কোনো সমস্যা হবে না।”

তিনি আরো বলেন, “স্বামী-সন্তানরা মিলে আমরা সবাই তিলক্ষেতে কাজ করি। কিন্তু সাপের ভয়ে এখনো ক্ষেত থেকে তিল তুলতে পারিনি। ফলে ক্ষেতের মধ্যেই তিল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তবে এখন ক্ষেতে যেতে কোনো সমস্যা হবে না।”

আরেক চাষী নজরুল ইসলাম বলেন, “জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কিছুটা বাদাম তুলেছি। কৃষি শ্রমিকরাও ক্ষেতে যেতে চায় না। তাই নিজেদের ঝুঁকি নিয়ে ফসল তুলতে হচ্ছে। গামবুট পেয়ে আমরা অনেক খুশি।”

জানা যায়, ফরিদপুরের চরাঞ্চলে রাসেলস ভাইপার সাপের উপদ্রব বেড়েছে। সাপের কামড়ে একাধিক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে এবং অনেকেই চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন। ফলে আতঙ্কে কৃষক-কৃষি শ্রমিকরা ক্ষেতে যাচ্ছে না, এতে ক্ষেতেই অনেক ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

এ কারণে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে চরাঞ্চলের চাষীদের মধ্যে গামবুট বিতরণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ইউনিয়নের কৃষকদের মধ্যে তা বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।