বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

নোয়াখালীর চাটখিলে নতুন নামের মাদক ‌’জাক্কাস’

56নিউজ ডেস্ক : নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও একটিমাত্র পৌরসভায় দেশি বিদেশে নানা ধরনের মাদকের নাম প্রচলিত থাকলেও এবার নতুন নামে মাদকের আরেক নাম জাক্কাসের আবির্ভাব ঘটেছে। চাটখিলের যুব সমাজ অন্যান্য মাদকের পাশাপাশি আসক্ত হচ্ছেন জাক্কাসের উপর। দেশে সরকারী ও বেসরকারীভাবে মাদক নিয়ন্ত্রনে বহু সংস্থা কাজ করলেও মাদকের সর্বগ্রাসী ছোবলে ধ্বংসের ধার প্রান্তে যাচ্ছে চাটখিলের যুবসমাজ। নতুন ভাবে আর্ভিরবাবিত জাক্কাস এমন একটি নেশা জাতীয় দ্রব্য যার কয়েকটি ঔষধ ও ফুড জাতীয় খদ্য দ্বারা প্র¯‘ত করে নিয়মিত নেশা করছে যুব সমাজ। জাক্কাসের নেশা সম্প্রতি চাটখিলের বিভিন্ন এলাকায় যুবসমাজের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে জাক্কাস সেবনকারীরা শারীরিক ও মানসিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, প্রশাসনিক চাপ না থাকায় চাটখিল উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা সহ সবকয়টি ইউনিয়ন ও গ্রাম অঞ্চলের ফার্মেসী গুলোতে প্রতিদিন সন্ধার পর জমে ওঠে জাক্কাস তৈরির আসর। সেবনকারীরা প্রথমে একটি এনার্জি ড্রিংসের মধ্যে একটি কাশির সিরাপ, ১০-১৫ পিচ ঘুমের ট্যাবলেট্ ও ১০টি ভিটামিন বি কমপ্লেক্স মিশিয়ে এক সাথে সেবন করে। এতে সেবনকারীরা আসক্ত হয়ে সাময়িক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে।

চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারা বলেন, একাধিক ঔষধের সমন্বয়ে প্রকৃত এ ধরণের নেশা জাতীয় দ্রব্য অন্যান্য মাদকের চেয়ে দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। তারা বলেন, কোন ব্যক্তি একসাথে মাত্রাতিরিক্ত ঔষধ সেবন করলে শরীরের লিভার, কিডনি, হার্ডসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ বিকল হয়ে যেতে পারে। নোয়াখালীর সুশীল সমাজের ব্যক্তিরা জানিয়েছেন যেহেতু জাক্কাস নামের এ নেশা জাতীয় দ্রব্যটি ঔষধের সমন্বয়ে তৈরি হয় সেহেতু ঔষুধ বিক্রেতা বা গ্রাম্য ডাক্তারদেরকে সর্তক হতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া নেশা জাতীয় ঔষধ বিক্রি করা যাবে না।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *