হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের চানপুর গ্রামে পিতা-মাতাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাদের সামনে ব্র্যাক স্কুলের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীকে (১৫) গণধর্ষণ করেছে একদল লম্পট। তাদের ভয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে নিয়ে পরিবারটি হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে আশ্রয় নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মেয়েটির পারিবারিক সূত্র জানায়, তাদের পার্শ্ববর্তী কাকুড়া গ্রামের সজলু মিয়া (২৫) প্রায়ই ৫ম শ্রেণীর এই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করতো। এতে মেয়ের পিতা বিচারপ্রার্থী হলে লম্পট সজলু ও তার দলবল ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এমনকি মেয়েটিকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের হুমকি দেয়। এতে ওই পরিবারটি মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে। গ্রামে বিচারপ্রার্থী হলেও তাদের বিরুদ্ধে কেউ বিচার করতে সাহস পায়নি।
গত রবিবার রাতে ঘুমিয়ে পড়লে রাত ১১ টার দিকে সজলু মিয়াসহ তার দলবল তাদের ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে। তখন সজলুর সাথে রহমান মিয়ার পুত্র আসাদ মিয়া, রহমত উল্লার পুত্র কাইয়ুম ও জামাল অস্ত্রের মুখে মেয়েটির বাবা ও মাকে জিম্মি করে সজলু ও এলাছ (২৫) মেয়েটিকে গণধর্ষণ করে রক্তাক্ত অবস্থায় চলে যায়। এ ব্যাপারে কাউকে কিছু না বলার জন্য হুমকি দিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকেই মেয়েটির চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এসে বিষয়টি জানতে পারে। পরে সোমবার বিকালে ওই পরিবারটি লম্পটদের ভয়ে সদর হাসপাতালে এসে আশ্রয় নেয়।
মেয়েটির পিতা জানান, তিনি রিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। তার ৪টি ছেলে ও দুটি মেয়ে রয়েছে। এর মধ্যে ধর্ষিতা মেয়েটি বড়। বাকীগুলো প্রতিবন্ধী। তিনি মেয়ে ধর্ষণের বিচার চান।



Leave a Reply