ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাবান মাহমুদ প্রেসক্লাব নির্বাচন নিয়ে বলেছেন, জাতীয় প্রেসক্লাব নিয়ে কেনো বার বার বিতর্ক হয়? যুদ্ধাপরাধীরা কিভাবে জাতীয়
প্রেসক্লাবের সদস্য হয়? সমগ্র জাতি যখন দেখলো যুদ্ধাপরাধী হিসেবে প্রেসক্লাবের ২ সদস্যের ফাঁসি হলো তখন প্রেসক্লাবের মর্যাদা কোথায় থাকে? যে ভোটের অধিকার নিয়ে সবচেয়ে সোচ্চার এদেশের সাংবাদিক সমাজ সেই সাংবাদিকরা কেনো জাতীয় প্রেসক্লাবে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হবে? ধারাবাহিক লজ্জার হাত থেকে প্রেসক্লাবের সদস্যরা মুক্তি চায়। যে মুহূর্তে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে জাতির বৃহত্তর স্বার্থে সেই মুহূর্তে জামায়াতের সাথে ঐক্যের রহস্য কী ? ঐক্যের নামে কেনো এই নির্বাচনী তামাশা? জাতি জানতে চায়।
বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম জাতীয় প্রেসক্লাবের নির্বাচন নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত নির্বাচন কমিশনের সকল সদস্য পদত্যাগ করলেন। তাদেরকে বলা হয়েছিলো আওয়ামী লীগ,জামায়াত ও বিএনপি’র সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারা বিনা ভোটে প্রেসক্লাব দখল চান। ঐক্য হয়েছে আওয়ামী লীগ জামায়াতের। আওয়ামী লীগ সভাপতি, জামায়াতে ইসলামি সাধারন সম্পাদক এক প্যানেল। নির্বাচন কমিশনার অন্যায় আবদার মানতে নারাজ। তারা ভোট করাতে চেয়েছিলেন। তাই তাদেরকে বাধ্য করা হলো পদত্যাগে।
জাতির বিবেক সেজে টক শোতে অথবা সংবাদপত্রে আমরা গণতন্ত্রের ছবক দেবো, বড় বড় কথা বলবো,আর নিজেরা ভোটাধিকার ধ্বংস করবো। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার রক্ষক সেজে ঐক্য করবো জামায়াতের সঙ্গে। অসাধারণ!
ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে নেওয়া: যুদ্ধাপরাধীরা কিভাবে জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য হয়?
যে কোনো সংবাদ জানতে আমাদের ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন।



Leave a Reply